ঢাকা ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২

অং সান সু চির শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ: ছেলে কিম অ্যারিস

 মিয়ানমারের কারাবন্দি সাবেক গণতান্ত্রিক নেত্রী ও শান্তিতে নোবেলজয়ী অং সান সু চির শারীরিক অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তার ছেলে কিম অ্যারিস। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে কোনো যোগাযোগ না থাকায় তার মা হয়তো ইতিমধ্যেই মারা গিয়েও থাকতে পারেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে টোকিওতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কিম অ্যারিস জানান, ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে তিনি তার ৮০ বছর বয়সী মায়ের কাছ থেকে কোনো সরাসরি খবর পাননি। এমনকি পরিবারের সদস্য বা আইনজীবীদের সঙ্গেও অং সান সু চির যোগাযোগের সুযোগ দেওয়া হয়নি। মাঝে মধ্যে দ্বিতীয় হাতের সূত্রে তিনি মায়ের হৃদ্‌রোগ, হাড় ও মাড়ির সমস্যার কথা জানতে পেরেছেন।
উসকানি, দুর্নীতি ও নির্বাচনি জালিয়াতিসহ একাধিক অভিযোগে বর্তমানে ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন অং সান সু চি। তবে এসব অভিযোগ তিনি বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন।

কিম অ্যারিস বলেন, ‘দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে কেউ তাকে দেখেনি। আইনজীবী তো দূরের কথা, পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি। তার স্বাস্থ্যজনিত সমস্যার কথা বিবেচনায় নিলে বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’

চলতি মাসের শেষ দিকে মিয়ানমারের সামরিক সরকার যে নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে, তাকে ভুয়া ও অবৈধ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন কিম অ্যারিস। তবে তার মতে, এই তথাকথিত নির্বাচন অং সান সু চির মুক্তি বা অন্তত গৃহবন্দিত্বে স্থানান্তরের জন্য সামান্য হলেও একটি সুযোগ তৈরি করতে পারে।

তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, মিন অং হ্লাইংয়ের আমার মাকে নিয়ে নিজস্ব রাজনৈতিক হিসাব রয়েছে। যদি জনগণের ক্ষোভ প্রশমিত করতে নির্বাচন-পূর্ব বা পরবর্তী সময়ে তাকে মুক্তি দেওয়া হয় কিংবা গৃহবন্দিত্বে রাখা হয়, সেটিও কিছুটা হলেও স্বস্তির বিষয় হবে।’

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

এস এ গ্রুপের মালিক শাহাবুদ্দিনের মা, স্ত্রী, ভাই ও সন্তানদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

অং সান সু চির শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ: ছেলে কিম অ্যারিস

আপডেট সময় : ০৮:৫৮:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

 মিয়ানমারের কারাবন্দি সাবেক গণতান্ত্রিক নেত্রী ও শান্তিতে নোবেলজয়ী অং সান সু চির শারীরিক অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তার ছেলে কিম অ্যারিস। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে কোনো যোগাযোগ না থাকায় তার মা হয়তো ইতিমধ্যেই মারা গিয়েও থাকতে পারেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে টোকিওতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কিম অ্যারিস জানান, ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে তিনি তার ৮০ বছর বয়সী মায়ের কাছ থেকে কোনো সরাসরি খবর পাননি। এমনকি পরিবারের সদস্য বা আইনজীবীদের সঙ্গেও অং সান সু চির যোগাযোগের সুযোগ দেওয়া হয়নি। মাঝে মধ্যে দ্বিতীয় হাতের সূত্রে তিনি মায়ের হৃদ্‌রোগ, হাড় ও মাড়ির সমস্যার কথা জানতে পেরেছেন।
উসকানি, দুর্নীতি ও নির্বাচনি জালিয়াতিসহ একাধিক অভিযোগে বর্তমানে ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন অং সান সু চি। তবে এসব অভিযোগ তিনি বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন।

কিম অ্যারিস বলেন, ‘দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে কেউ তাকে দেখেনি। আইনজীবী তো দূরের কথা, পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি। তার স্বাস্থ্যজনিত সমস্যার কথা বিবেচনায় নিলে বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’

চলতি মাসের শেষ দিকে মিয়ানমারের সামরিক সরকার যে নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে, তাকে ভুয়া ও অবৈধ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন কিম অ্যারিস। তবে তার মতে, এই তথাকথিত নির্বাচন অং সান সু চির মুক্তি বা অন্তত গৃহবন্দিত্বে স্থানান্তরের জন্য সামান্য হলেও একটি সুযোগ তৈরি করতে পারে।

তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, মিন অং হ্লাইংয়ের আমার মাকে নিয়ে নিজস্ব রাজনৈতিক হিসাব রয়েছে। যদি জনগণের ক্ষোভ প্রশমিত করতে নির্বাচন-পূর্ব বা পরবর্তী সময়ে তাকে মুক্তি দেওয়া হয় কিংবা গৃহবন্দিত্বে রাখা হয়, সেটিও কিছুটা হলেও স্বস্তির বিষয় হবে।’