ঢাকা ০৯:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

বিজয় দিবসে ১৯৭১-এর যুদ্ধকে ভারতের চূড়ান্ত বিজয় হিসেবে উল্লেখ করল ভারতীয় সেনাবাহিনী

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়। নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধে অংশ নেয় ভারতীয় সেনাবাহিনী। এ কারণেই ভারত বাংলাদেশ বিজয় দিবসকে নিজেদের বিজয় দিবস হিসেবেও পালন করে থাকে।

বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে একটি বিবৃতি দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। বিবৃতিতে তারা বলেছে, বিজয় দিবস শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট তারিখ নয়; বরং এটি ১৯৭১ সালের যুদ্ধে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ও চূড়ান্ত বিজয়ের প্রতীক।

পোস্টে মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় সেনাদের যৌথ লড়াইয়ের কথা উল্লেখ করে বলা হয়, এই যুদ্ধ দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক মানচিত্র বদলে দিয়েছে এবং একটি নতুন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছে। একই সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর চালানো নৃশংসতা, নির্যাতন ও নিষ্ঠুরতার অবসান ঘটেছিল বলেও দাবি করা হয়।

ভারতীয় সেনাবাহিনী আরও জানায়, মাত্র ১৩ দিনের যুদ্ধে অসাধারণ সাহস ও সামরিক দক্ষতার মাধ্যমে পাকিস্তানের ৯৩ হাজার সেনাকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা হয়েছিল, যা বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ আত্মসমর্পণের ঘটনা।

বিবৃতির শেষ অংশে বলা হয়, এই যুদ্ধ বন্ধুদের প্রতি ভারতের আনুগত্য এবং শত্রুদের প্রতি একটি স্পষ্ট বার্তা বহন করে— ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ালে বিজয় অবশ্যম্ভাবী।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

বিজয় দিবসে ১৯৭১-এর যুদ্ধকে ভারতের চূড়ান্ত বিজয় হিসেবে উল্লেখ করল ভারতীয় সেনাবাহিনী

আপডেট সময় : ০৭:৩৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়। নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধে অংশ নেয় ভারতীয় সেনাবাহিনী। এ কারণেই ভারত বাংলাদেশ বিজয় দিবসকে নিজেদের বিজয় দিবস হিসেবেও পালন করে থাকে।

বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে একটি বিবৃতি দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। বিবৃতিতে তারা বলেছে, বিজয় দিবস শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট তারিখ নয়; বরং এটি ১৯৭১ সালের যুদ্ধে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ও চূড়ান্ত বিজয়ের প্রতীক।

পোস্টে মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় সেনাদের যৌথ লড়াইয়ের কথা উল্লেখ করে বলা হয়, এই যুদ্ধ দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক মানচিত্র বদলে দিয়েছে এবং একটি নতুন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছে। একই সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর চালানো নৃশংসতা, নির্যাতন ও নিষ্ঠুরতার অবসান ঘটেছিল বলেও দাবি করা হয়।

ভারতীয় সেনাবাহিনী আরও জানায়, মাত্র ১৩ দিনের যুদ্ধে অসাধারণ সাহস ও সামরিক দক্ষতার মাধ্যমে পাকিস্তানের ৯৩ হাজার সেনাকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা হয়েছিল, যা বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ আত্মসমর্পণের ঘটনা।

বিবৃতির শেষ অংশে বলা হয়, এই যুদ্ধ বন্ধুদের প্রতি ভারতের আনুগত্য এবং শত্রুদের প্রতি একটি স্পষ্ট বার্তা বহন করে— ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ালে বিজয় অবশ্যম্ভাবী।