ঢাকা ০১:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২

বাজার স্থিতিশীল রাখতে আরও ৬ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের প্রবাহ সচল রাখতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কেনা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সর্বশেষ রোববার (২১ ডিসেম্বর) চারটি ব্যাংক থেকে মোট ৬ কোটি মার্কিন ডলার (৬০ মিলিয়ন ডলার) কেনা হয়েছে।

বিনিময় হার ও নিলাম পদ্ধতি: বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, মাল্টিপল প্রাইস নিলাম (Multiple Price Auction) পদ্ধতির মাধ্যমে এই ডলার সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতি ডলারের সর্বোচ্চ বিনিময় হার ছিল ১২২.৩০ টাকা এবং কাট-অফ রেটও নির্ধারিত হয়েছে ১২২.৩০ টাকায়।

চলতি অর্থবছরের চিত্র: পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১৩ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়ায় এ পর্যন্ত মোট ২৯৩ কোটি ১৫ লাখ (২.৯৩ বিলিয়ন) ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর ১৪ কোটি ১৫ লাখ ডলার এবং ১৭ ডিসেম্বর ৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার কেনা হয়েছিল।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপের ফলে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে অস্থিরতা কমবে এবং প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাজার স্থিতিশীল রাখতে আরও ৬ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

আপডেট সময় : ১২:৫০:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের প্রবাহ সচল রাখতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কেনা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সর্বশেষ রোববার (২১ ডিসেম্বর) চারটি ব্যাংক থেকে মোট ৬ কোটি মার্কিন ডলার (৬০ মিলিয়ন ডলার) কেনা হয়েছে।

বিনিময় হার ও নিলাম পদ্ধতি: বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, মাল্টিপল প্রাইস নিলাম (Multiple Price Auction) পদ্ধতির মাধ্যমে এই ডলার সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতি ডলারের সর্বোচ্চ বিনিময় হার ছিল ১২২.৩০ টাকা এবং কাট-অফ রেটও নির্ধারিত হয়েছে ১২২.৩০ টাকায়।

চলতি অর্থবছরের চিত্র: পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১৩ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়ায় এ পর্যন্ত মোট ২৯৩ কোটি ১৫ লাখ (২.৯৩ বিলিয়ন) ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর ১৪ কোটি ১৫ লাখ ডলার এবং ১৭ ডিসেম্বর ৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার কেনা হয়েছিল।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপের ফলে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে অস্থিরতা কমবে এবং প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।