ঢাকা ০৭:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

১২ ফেব্রুয়ারির ভোট ঘিরে ৮ তারিখ থেকে মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের সময়সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটকে কেন্দ্র করে ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৭ দিন মাঠে থাকবেন সশস্ত্র বাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। পরিপত্রে জানানো হয়, ভোটের ৪ দিন আগে থেকে শুরু করে ভোটের দিন এবং পরবর্তী ২ দিন পর্যন্ত কঠোর নিরাপত্তায় থাকবে পুরো দেশ।

নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, এবারের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা প্রায় পৌনে ১৩ কোটি। সারাদেশে ৩০০টি আসনে ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার ভোটকক্ষে ভোট গ্রহণ করা হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ থেকে ১৮ জন সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এবারের নির্বাচনে সব মিলিয়ে ৭ লাখেরও বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এর মধ্যে আনসার-ভিডিপি সদস্যের সংখ্যাই প্রায় সাড়ে ৫ লাখ। এছাড়া সশস্ত্র বাহিনীর প্রায় ৯০ হাজার সদস্যের পাশাপাশি পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের সদস্যরাও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

১২ ফেব্রুয়ারির ভোট ঘিরে ৮ তারিখ থেকে মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

আপডেট সময় : ০৬:৪৭:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের সময়সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটকে কেন্দ্র করে ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৭ দিন মাঠে থাকবেন সশস্ত্র বাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। পরিপত্রে জানানো হয়, ভোটের ৪ দিন আগে থেকে শুরু করে ভোটের দিন এবং পরবর্তী ২ দিন পর্যন্ত কঠোর নিরাপত্তায় থাকবে পুরো দেশ।

নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, এবারের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা প্রায় পৌনে ১৩ কোটি। সারাদেশে ৩০০টি আসনে ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার ভোটকক্ষে ভোট গ্রহণ করা হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ থেকে ১৮ জন সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এবারের নির্বাচনে সব মিলিয়ে ৭ লাখেরও বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এর মধ্যে আনসার-ভিডিপি সদস্যের সংখ্যাই প্রায় সাড়ে ৫ লাখ। এছাড়া সশস্ত্র বাহিনীর প্রায় ৯০ হাজার সদস্যের পাশাপাশি পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের সদস্যরাও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।