ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে বিএনপি নেতার মৃত্যু, শহরজুড়ে উত্তেজনা ও বিক্ষোভ

সেনাবাহিনীর অভিযানে আটকের পর চুয়াডাঙ্গার জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই নিহতের ঘটনা ঘটে। ডাবলুর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে জীবননগর শহরজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা সড়ক অবরোধ করে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।

পৌর বিএনপির সভাপতি শাহাজান কবির জানান, রাত ১০টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘হাফিজা ফার্মেসি’ থেকে ডাবলুকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়। এর প্রায় তিন ঘণ্টা পর রাত ১টার দিকে তাঁর মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া যায়। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন, পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলাম এবং জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু জানান, তাঁরা আইন হাতে তুলে না নিয়ে বিষয়টি আইনগতভাবেই মোকাবিলা করবেন এবং এ ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন জানান, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্ত করা হবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে বিএনপি নেতার মৃত্যু, শহরজুড়ে উত্তেজনা ও বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৫:৪১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

সেনাবাহিনীর অভিযানে আটকের পর চুয়াডাঙ্গার জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই নিহতের ঘটনা ঘটে। ডাবলুর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে জীবননগর শহরজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা সড়ক অবরোধ করে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।

পৌর বিএনপির সভাপতি শাহাজান কবির জানান, রাত ১০টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘হাফিজা ফার্মেসি’ থেকে ডাবলুকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়। এর প্রায় তিন ঘণ্টা পর রাত ১টার দিকে তাঁর মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া যায়। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন, পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলাম এবং জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু জানান, তাঁরা আইন হাতে তুলে না নিয়ে বিষয়টি আইনগতভাবেই মোকাবিলা করবেন এবং এ ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন জানান, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্ত করা হবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।