ঢাকা ০৪:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২

গাজা সংকটে ট্রাম্পের ‘বোর্ড অফ পিস’ এ যোগ দিচ্ছেন শাহবাজ

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় চলমান সংকট নিরসনে গঠিত ‘বোর্ড অফ পিস’-এ যোগ দেওয়ার জন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতির মাধ্যমে এই আমন্ত্রণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে গঠিত এই আন্তর্জাতিক উদ্যোগে পাকিস্তানের সক্রিয় অংশগ্রহণ কামনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, গাজায় শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে পাকিস্তান শুরু থেকেই বৈশ্বিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে আসছে। এই নতুন উদ্যোগেও পাকিস্তান তার অবস্থান বজায় রাখবে এবং জাতিসংঘের প্রস্তাবনার আলোকে ফিলিস্তিন সমস্যার একটি স্থায়ী ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করে যাবে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই আমন্ত্রণকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে গাজা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রকে পরাজিত করেছি, বিক্ষোভ দমনের পর দাবি খামেনির

গাজা সংকটে ট্রাম্পের ‘বোর্ড অফ পিস’ এ যোগ দিচ্ছেন শাহবাজ

আপডেট সময় : ০১:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় চলমান সংকট নিরসনে গঠিত ‘বোর্ড অফ পিস’-এ যোগ দেওয়ার জন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতির মাধ্যমে এই আমন্ত্রণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে গঠিত এই আন্তর্জাতিক উদ্যোগে পাকিস্তানের সক্রিয় অংশগ্রহণ কামনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, গাজায় শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে পাকিস্তান শুরু থেকেই বৈশ্বিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে আসছে। এই নতুন উদ্যোগেও পাকিস্তান তার অবস্থান বজায় রাখবে এবং জাতিসংঘের প্রস্তাবনার আলোকে ফিলিস্তিন সমস্যার একটি স্থায়ী ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করে যাবে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই আমন্ত্রণকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে গাজা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে।