ঢাকা ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে ২ নং বারৈয়াঢালা ইউনিয়নে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো:ওমর ফারুকের উদ্যেগে র‍্যালী টি বড়দারোগাহাট বাজাালর প্রদক্ষিণ করে শুরু হয়ে ছোট দারোগাহাট বাজারে এসে আলোচনা ও বক্তব্য প্রদান করেন।

মোঃ ওমর ফারুক চৌধুরী সীতাকুন্ড উপজেলার ২ নং বারৈয়াঢালা ইউনিয়ন ৫ নং ফেদাইনগর ওয়ার্ডের স্বনামধন্য ঐতিহ্যবাহী বাড়ি কালামিয়া চৌধুরী বাড়ি ১৯৯৭ থেকে জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবিরের রাজনীতিতে প্রবেশ করে।

২০০৪ সাল পর্যন্ত ছাত্র রাজনীতির সাথে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন ২০০৪ সালে ২ নং বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের ছাত্র শিবিরের সভাপতির দায়িত্ব পালন অবস্থায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে একান্ত ব্যক্তিগত কারণে ২০১০ সালে অব্যাহতি নেন এবং ২০১০ সালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করে সক্রিয়ভাবে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি শুরু করেন।

তিনি রাজনীতিতে সুদৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন রাজনীতি হতে হবে মানব কল্যাণে ও নিবেদিত প্রাণ। সেজন্য তিনি ছাত্র রাজনীতি থেকে মানুষের পাশে থাকার,সমাজের মানুষের সুখ-দুঃখ বোঝার এবং সমাজের অসঙ্গতিগুলো বুঝে এগুলো নিরসনের চেষ্টায় রাজনীতি করেন। তিনি অরাজনৈতিক সংগঠন সমাজসেবী সংগঠন ইকরা সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করে আসছেন যাতে করে তৃণমূলের জনগণের আসল সমস্যার কথা জানা যায়।

তিনি মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন রাজনীতিতে তৃণমূলের শক্তি এবং জনগণের শক্তিই হচ্ছে আসল।তিনি মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন তৃণমূল এবং জনগণকে অস্বীকার করে কেউ সত্যিকারের প্রকৃত রাজনীতিবিদ হতে পারে না। ২ নং বারৈয়াঢালা ইউনিয়নে দল মত নির্বিশেষে সবাই তাকে তৃণমূলের নেতা এবং জনগণের নেতা হিসেবে চিনে থাকেন।এক কথায় সাদারন জনগনের পাশেই আছেন থাকবেন এমনটা মনভাব প্রকাশ করেন।

তিনি শুধু একজন রাজনীতিবিদ নয় তিনি একজন ধর্মীয় আলেম ছোটকাল থেকেই কোরআন হাদিস গবেষণার মাধ্যমে তিনি একজন কোরআন গবেষক হিসেবে সমাজে পরিচিত তিনি ফেনী ফাজিলপুর জামে মসজিদের খতিব এবং তিনি একজন ইসলামিক আলোচক । পেশাগত জীবনে তিনি একজন ব্যবসায়ী ।

রাজনৈতিক জীবনে তিনি শেষ দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শ্রমিক সংগঠন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সীতাকুণ্ড উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ২ নং বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের সভাপতির দায়িত্ব বহন করছেন। তিনি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার আসল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য হিসেবে জানিয়েছেন মাদকমুক্ত চাঁদাবাজ মুক্ত সন্ত্রাস মুক্ত ইভটিজিং মুক্ত এবং দুর্নীতিমুক্ত দল মত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য যাতে একটি আদর্শ মডেল ও কল্যাণ ইউনিয়ন গঠন করার শতভাগ নিশ্চয়তা।

২ নং বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের সবচেয়ে বেশি যে সমস্যাটা সেটি হচ্ছে মাদক এবং তিনি বলেন মাদক হচ্ছে সকল অপরাধের জননী তিনি কথা দিয়েছেন তিনি নির্বাচিত হলে সর্বপ্রথম ইউনিয়ন থেকে মাদককে নির্মূল করবেন। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে কথা দিয়েছেন তিনি নিজেও দুর্নীতি করবেন না তার অধস্তনকেও দুর্নীতি করতে দিবেন না বলেও বক্তব্যে আশ্বাস দেন।

জনগণের অধিকার শতভাগ জনগণকে ফিরিয়ে দেওয়ার তিনি প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি শুধু ২ নং বারৈয়াঢালা ইউনিয়ন কে উপজেলা নয় পুরো বাংলাদেশের মধ্যে একটি আদর্শ সুশৃংখল মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার আশ্বাস বলে দৃঢ় বিশ্বাস করেন।এ জন্য তিনি ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে পাশে থেকে সাপোর্ট করে সমর্থন এবং দোয়া কামনা করেন।

ট্যাগস :

চট্টগ্রামে চান্দগাঁও থানার পুলিশ ও সোর্সের ‘ফিটিংস কেস’ বাণিজ্য: চালককে জিম্মি করে ১৫ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে ২ নং বারৈয়াঢালা ইউনিয়নে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৩:১০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো:ওমর ফারুকের উদ্যেগে র‍্যালী টি বড়দারোগাহাট বাজাালর প্রদক্ষিণ করে শুরু হয়ে ছোট দারোগাহাট বাজারে এসে আলোচনা ও বক্তব্য প্রদান করেন।

মোঃ ওমর ফারুক চৌধুরী সীতাকুন্ড উপজেলার ২ নং বারৈয়াঢালা ইউনিয়ন ৫ নং ফেদাইনগর ওয়ার্ডের স্বনামধন্য ঐতিহ্যবাহী বাড়ি কালামিয়া চৌধুরী বাড়ি ১৯৯৭ থেকে জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবিরের রাজনীতিতে প্রবেশ করে।

২০০৪ সাল পর্যন্ত ছাত্র রাজনীতির সাথে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন ২০০৪ সালে ২ নং বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের ছাত্র শিবিরের সভাপতির দায়িত্ব পালন অবস্থায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে একান্ত ব্যক্তিগত কারণে ২০১০ সালে অব্যাহতি নেন এবং ২০১০ সালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করে সক্রিয়ভাবে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি শুরু করেন।

তিনি রাজনীতিতে সুদৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন রাজনীতি হতে হবে মানব কল্যাণে ও নিবেদিত প্রাণ। সেজন্য তিনি ছাত্র রাজনীতি থেকে মানুষের পাশে থাকার,সমাজের মানুষের সুখ-দুঃখ বোঝার এবং সমাজের অসঙ্গতিগুলো বুঝে এগুলো নিরসনের চেষ্টায় রাজনীতি করেন। তিনি অরাজনৈতিক সংগঠন সমাজসেবী সংগঠন ইকরা সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করে আসছেন যাতে করে তৃণমূলের জনগণের আসল সমস্যার কথা জানা যায়।

তিনি মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন রাজনীতিতে তৃণমূলের শক্তি এবং জনগণের শক্তিই হচ্ছে আসল।তিনি মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন তৃণমূল এবং জনগণকে অস্বীকার করে কেউ সত্যিকারের প্রকৃত রাজনীতিবিদ হতে পারে না। ২ নং বারৈয়াঢালা ইউনিয়নে দল মত নির্বিশেষে সবাই তাকে তৃণমূলের নেতা এবং জনগণের নেতা হিসেবে চিনে থাকেন।এক কথায় সাদারন জনগনের পাশেই আছেন থাকবেন এমনটা মনভাব প্রকাশ করেন।

তিনি শুধু একজন রাজনীতিবিদ নয় তিনি একজন ধর্মীয় আলেম ছোটকাল থেকেই কোরআন হাদিস গবেষণার মাধ্যমে তিনি একজন কোরআন গবেষক হিসেবে সমাজে পরিচিত তিনি ফেনী ফাজিলপুর জামে মসজিদের খতিব এবং তিনি একজন ইসলামিক আলোচক । পেশাগত জীবনে তিনি একজন ব্যবসায়ী ।

রাজনৈতিক জীবনে তিনি শেষ দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শ্রমিক সংগঠন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সীতাকুণ্ড উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ২ নং বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের সভাপতির দায়িত্ব বহন করছেন। তিনি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার আসল লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য হিসেবে জানিয়েছেন মাদকমুক্ত চাঁদাবাজ মুক্ত সন্ত্রাস মুক্ত ইভটিজিং মুক্ত এবং দুর্নীতিমুক্ত দল মত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য যাতে একটি আদর্শ মডেল ও কল্যাণ ইউনিয়ন গঠন করার শতভাগ নিশ্চয়তা।

২ নং বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের সবচেয়ে বেশি যে সমস্যাটা সেটি হচ্ছে মাদক এবং তিনি বলেন মাদক হচ্ছে সকল অপরাধের জননী তিনি কথা দিয়েছেন তিনি নির্বাচিত হলে সর্বপ্রথম ইউনিয়ন থেকে মাদককে নির্মূল করবেন। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে কথা দিয়েছেন তিনি নিজেও দুর্নীতি করবেন না তার অধস্তনকেও দুর্নীতি করতে দিবেন না বলেও বক্তব্যে আশ্বাস দেন।

জনগণের অধিকার শতভাগ জনগণকে ফিরিয়ে দেওয়ার তিনি প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি শুধু ২ নং বারৈয়াঢালা ইউনিয়ন কে উপজেলা নয় পুরো বাংলাদেশের মধ্যে একটি আদর্শ সুশৃংখল মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার আশ্বাস বলে দৃঢ় বিশ্বাস করেন।এ জন্য তিনি ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে পাশে থেকে সাপোর্ট করে সমর্থন এবং দোয়া কামনা করেন।