
বরিশালের বাকেরগঞ্জে পাণ্ডব নদীর ভয়াবহ ভাঙনে প্রতিদিন তলিয়ে যাচ্ছে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, হাট-বাজার এমনকি কবরস্থানও। নদীর তীরে বসবাসরত সহস্রাধিক পরিবার এখন সরাসরি ঝুঁকির মুখে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, টেকসই বেড়িবাঁধ বা জিও ব্যাগ না থাকায় প্রতিবছরই নদীভাঙনের শিকার হচ্ছেন তারা। ইতোমধ্যে দুটি গ্রাম প্রায় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে, আর বহু পরিবার গৃহহীন হওয়ার আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে।
লক্ষীপাশা গ্রামের বাসিন্দা কবির হাওলাদার বলেন, “লক্ষীপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, বাজার ও কয়েক একর জমিসহ শতাধিক বাড়িঘর নদীতে তলিয়ে গেছে। এখন প্রতিদিন আতঙ্কে কাটছে, কখন আমাদের বাড়িটিও নদীতে মিশে যায়।”
কবাই বাজারের ব্যবসায়ী মাসুদ গাজী জানান, “আগে কবাই বাজার ছিল খুব বড়। সপ্তাহে দুই দিন হাট বসত। এখন নদীভাঙনে বাজারটি অনেক ছোট হয়ে গেছে। বহু ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পুরো গ্রাম হারিয়ে যাবে।”
কবাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, “নদীভাঙনের বিষয়টি উপজেলা মাসিক সভায় আলোচনা করেছি এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডকেও জানিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”
বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, পাণ্ডব নদীর ভাঙনের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা হয়েছে।
বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে নদীভাঙন ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেক্স নিউজ/নিউজ টুডে 























