ঢাকা ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সম্পাদক সারফারাজ নেওয়াজ চৌধুরী রবিনের আকস্মিক মৃত্যু

চট্টগ্রাম নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সম্পাদক সারফারাজ নেওয়াজ চৌধুরী রবিন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গতকাল ১৩ ডিসেম্বর সকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

বাদে মাগরিব তার জানাযা অনুষ্ঠিত হয়, নিজ বাড়ি মোহরার মসজিদ প্রাঙ্গনে।

পরিবারের বরাতে জানা গেছে, রবিন হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে অবিলম্বে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

চিকিৎসকেরা জানান, তার হৃদযন্ত্রে চারটি ব্লক ধরা পড়ে। একটি হার্টের রিং পড়ানো হলে অবস্থা কিছুটা উন্নতি হলেও, পরে ধীরে ধীরে অবনতি হতে থাকে। তাকে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় তৃতীয় দিনের শুরুতে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। চিকিৎসকদের সকল চেষ্টা সত্ত্বেও তার জীবন রক্ষা সম্ভব হয়নি।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দলের পতন হওয়ার পর থেকে তিনি দুশ্চিন্তায় মগ্ন ছিলেন। তার ব্যবসা-বাণিজ্য দুর্বৃত্তরা সব দখল করে নেয়। তার বিরুদ্ধে ৭ টি মিথ্যে মামলাও দায়ের করা হয়।

স্থানীয়রা বলেছেন, তিনি ছিলেন যুবসমাজের জনপ্রিয় নেতা। তিনি ছিলেন ক্লীন ইমেজ অধিকারী। তাদের দেখা মতে রবিনের কর্মজীবনে কোন কালো দাগ ছিল না, নেই কোন লোভ বা চাটুকারিতা। ছোট থেকে বড় সবার সাথে তিনি হাসিমুখে কথা বলতেন। সবার বিপদে এগিয়ে আসতেন।

তিনি মৃত্যুকালে রেখে যান ছয় বছরের একটি কন্যা শিশু ও ১৩ মাসের একটি পুত্রসন্তান, স্ত্রী, পরিবারবর্গ সহ প্রিয়জনদের। তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে পড়ে সবার হৃদয়ে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সম্পাদক সারফারাজ নেওয়াজ চৌধুরী রবিনের আকস্মিক মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৭:৫৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সম্পাদক সারফারাজ নেওয়াজ চৌধুরী রবিন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গতকাল ১৩ ডিসেম্বর সকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

বাদে মাগরিব তার জানাযা অনুষ্ঠিত হয়, নিজ বাড়ি মোহরার মসজিদ প্রাঙ্গনে।

পরিবারের বরাতে জানা গেছে, রবিন হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে অবিলম্বে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

চিকিৎসকেরা জানান, তার হৃদযন্ত্রে চারটি ব্লক ধরা পড়ে। একটি হার্টের রিং পড়ানো হলে অবস্থা কিছুটা উন্নতি হলেও, পরে ধীরে ধীরে অবনতি হতে থাকে। তাকে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় তৃতীয় দিনের শুরুতে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। চিকিৎসকদের সকল চেষ্টা সত্ত্বেও তার জীবন রক্ষা সম্ভব হয়নি।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দলের পতন হওয়ার পর থেকে তিনি দুশ্চিন্তায় মগ্ন ছিলেন। তার ব্যবসা-বাণিজ্য দুর্বৃত্তরা সব দখল করে নেয়। তার বিরুদ্ধে ৭ টি মিথ্যে মামলাও দায়ের করা হয়।

স্থানীয়রা বলেছেন, তিনি ছিলেন যুবসমাজের জনপ্রিয় নেতা। তিনি ছিলেন ক্লীন ইমেজ অধিকারী। তাদের দেখা মতে রবিনের কর্মজীবনে কোন কালো দাগ ছিল না, নেই কোন লোভ বা চাটুকারিতা। ছোট থেকে বড় সবার সাথে তিনি হাসিমুখে কথা বলতেন। সবার বিপদে এগিয়ে আসতেন।

তিনি মৃত্যুকালে রেখে যান ছয় বছরের একটি কন্যা শিশু ও ১৩ মাসের একটি পুত্রসন্তান, স্ত্রী, পরিবারবর্গ সহ প্রিয়জনদের। তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে পড়ে সবার হৃদয়ে।