ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
শহীদ জিয়া স্মৃতি জাদুঘরকে সংস্কার করে সংরক্ষণ করতে হবে: মেয়র ডা. শাহাদাত

ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে: মেয়র শাহাদাত

নগরীর কাজীর দেউড়িতে অবস্থিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর স্মৃতি বিজড়িত শহীদ জিয়া জাদুঘরকে সংস্কার করে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণের আহবান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

সোমবার ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত জাদুঘরের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন মেয়র। এসময় জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের প্রশাসনিক-কাম-নিরাপত্তা অফিসার অর্পিতা দাশ গুপ্তা জাদুঘরের বিভিন্ন সমস্যা মেয়রকে জানান।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মেয়র বলেন, জাদুঘরের বিল্ডিং বেশ পুরানো হওয়ায় ভূমিকম্পে এখানে বেশ কয়েকটা ওয়ালে, বিমে এবং পিলারে ফাটল ধরা দিয়েছে। আমি ইতিমধ্যেই গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী এবং বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালকসহ মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি। উনারা বুয়েট থেকে ইঞ্জিনিয়ার পাঠিয়ে ভবনটিকে কিভাবে শক্তিশালী করা যায় সে বিষয়ে পরিকল্পনা করছেন। যেহেতু ১১৩ বছরের পুরনো বিল্ডিং তাই ঐতিহ্যের বিষয়টাকে মাথায় রেখে একই ডিজাইন রেখে ভবনটিকে শক্তিশালী করে কিভাবে টিকিয়ে রাখা যায় সে বিষয়ে কাজ করতে হবে।

“সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য যে মন্ত্রণালয় এবং চট্টগ্রামের যে সার্ভিস অরিয়েন্টেড অর্গানাইজেশনগুলো আছে সবাইকে জাদুঘরটি সংরক্ষণে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। আমি মনে করি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষণা যিনি এই চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে দিয়েছিলেন এবং ‘উই রিভল্ট’ বলে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেছিলেন সেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ৩০শে মে চট্টগ্রামের এই সার্কিট হাউজে শহীদ হয়েছিলেন। কাজেই উনার এই স্মৃতি বিজড়িত সার্কিট হাউস সংরক্ষণ করার দায়িত্ব আমাদের সবার। এইজন্য সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং চট্টগ্রামের অন্যান্য সেবা সংস্থাগুলোকে আমি বলতে চাই যে আপনারা সবাই এটার জন্য একসাথে কাজ করবেন এবং আমি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসাবে এটার সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি। আশা করি অনতিবিলম্বে এটার কাজ শুরু হবে এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের এই স্মৃতি জাদুঘরের মাধ্যমে আমাদের নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসসহ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের ইতিহাস জানতে পারবে।।“

এসময় মেয়রের সাথে উপস্থিত ছিলেন গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং জাদুঘরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইউসিটিসিতে “OBE for Academic Excellence” শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

শহীদ জিয়া স্মৃতি জাদুঘরকে সংস্কার করে সংরক্ষণ করতে হবে: মেয়র ডা. শাহাদাত

ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে: মেয়র শাহাদাত

আপডেট সময় : ০৬:৪৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

নগরীর কাজীর দেউড়িতে অবস্থিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর স্মৃতি বিজড়িত শহীদ জিয়া জাদুঘরকে সংস্কার করে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণের আহবান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

সোমবার ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত জাদুঘরের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন মেয়র। এসময় জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের প্রশাসনিক-কাম-নিরাপত্তা অফিসার অর্পিতা দাশ গুপ্তা জাদুঘরের বিভিন্ন সমস্যা মেয়রকে জানান।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মেয়র বলেন, জাদুঘরের বিল্ডিং বেশ পুরানো হওয়ায় ভূমিকম্পে এখানে বেশ কয়েকটা ওয়ালে, বিমে এবং পিলারে ফাটল ধরা দিয়েছে। আমি ইতিমধ্যেই গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী এবং বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালকসহ মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি। উনারা বুয়েট থেকে ইঞ্জিনিয়ার পাঠিয়ে ভবনটিকে কিভাবে শক্তিশালী করা যায় সে বিষয়ে পরিকল্পনা করছেন। যেহেতু ১১৩ বছরের পুরনো বিল্ডিং তাই ঐতিহ্যের বিষয়টাকে মাথায় রেখে একই ডিজাইন রেখে ভবনটিকে শক্তিশালী করে কিভাবে টিকিয়ে রাখা যায় সে বিষয়ে কাজ করতে হবে।

“সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য যে মন্ত্রণালয় এবং চট্টগ্রামের যে সার্ভিস অরিয়েন্টেড অর্গানাইজেশনগুলো আছে সবাইকে জাদুঘরটি সংরক্ষণে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। আমি মনে করি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষণা যিনি এই চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে দিয়েছিলেন এবং ‘উই রিভল্ট’ বলে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেছিলেন সেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ৩০শে মে চট্টগ্রামের এই সার্কিট হাউজে শহীদ হয়েছিলেন। কাজেই উনার এই স্মৃতি বিজড়িত সার্কিট হাউস সংরক্ষণ করার দায়িত্ব আমাদের সবার। এইজন্য সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং চট্টগ্রামের অন্যান্য সেবা সংস্থাগুলোকে আমি বলতে চাই যে আপনারা সবাই এটার জন্য একসাথে কাজ করবেন এবং আমি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসাবে এটার সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি। আশা করি অনতিবিলম্বে এটার কাজ শুরু হবে এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের এই স্মৃতি জাদুঘরের মাধ্যমে আমাদের নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসসহ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের ইতিহাস জানতে পারবে।।“

এসময় মেয়রের সাথে উপস্থিত ছিলেন গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং জাদুঘরের কর্মকর্তাবৃন্দ।