এই প্রশ্নেরই উত্তর দিয়েছেন হার্ভার্ড ও স্ট্যানফোর্ডে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে তিনি জানিয়েছেন, টানা দুই সপ্তাহ নিয়মিত ডিম খেলে শরীরে কয়েকটি ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।তিনি জানান, ডিমকে ‘সম্পূর্ণ প্রোটিনের’ অন্যতম সেরা উৎস বলা হয়। একটি ডিমে উচ্চমানের প্রোটিনের পাশাপাশি থাকে ভিটামিন, মিনারেল, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং কোলিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। ডা. শেঠির মতে, ডিমের কুসুমে প্রায় ২.৫ গ্রাম এবং সাদা অংশে প্রায় ৪ গ্রাম প্রোটিন থাকে, যা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
একটানা ১৪ দিন ডিম খেলে যে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হতে পারে জানিয়েছেন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠি।
এগুলো হলো: