ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

প্রাণ ফিরছে ৮৫০ বছরের প্রাচীন মসজিদে

উত্তর ইরাকের দোহুক প্রদেশের ঐতিহাসিক বামারনি মসজিদ পুনরায় খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। মসজিদের সংস্কার কার্যক্রমের ৮০ শতাংশের বেশি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ফলে ৮৫০ বছরেরও বেশি পুরোনো এই ঐতিহাসিক স্থাপনায় আবারো প্রাণ ফিরতে যাচ্ছে। ধারণা করা হয়, মসজিদটি ১২শ শতকের আতাবেগ শাসনামলে নির্মিত হয়েছিল। বামারনি মসজিদ ওই অঞ্চলের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক মসজিদগুলোর একটি।প্রত্নতত্ত্ব বিশেষজ্ঞ ও পুনরুদ্ধারকাজের তত্ত্বাবধায়ক কোভান ইহসান জানান, বামারনির কয়েকজন বাসিন্দার উদ্যোগে দোহুক প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সহযোগিতায় মসজিদটির সংস্কারকাজ শুরু হয়। প্রত্নতত্ত্ববিদদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো মসজিদের ঐতিহাসিক বৈশষ্ট্যি অক্ষুণ্ন রেখে এর স্থাপত্যিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদানগুলো পুনরুদ্ধার করা।
ইহসান বলেন, কয়েক শতাব্দী ধরে মসজিদের ভবনে সীমিত কিছু পরিবর্তন এসেছে। এর মধ্যে উত্তর দেয়ালে পরিবর্তন এবং মেঝেতে একাধিকবার নতুন করে পাকা করার বিষয়টি উলে্লখযোগ্য। বামারনি মসজিদের সবচেয়ে উলে্লখযোগ্য একটি বৈশষ্ট্যি হলো এর প্রাচীন পানি সরবরাহব্যবস্থা। মাটির তৈরি পাইপ এবং কানাত’ অর্থাত্ ভূগর্ভস্থ পানি প্রবাহের পথ ব্যবহার করে এই ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল। যা এখনো টিকে আছে। মসজিদ প্রাঙ্গণে ঐতিহাসিক স্যানিটেশন ব্যবস্থার নিদর্শনও রয়েছে, যা প্রাচীন বামারনি গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার একটি ধারণা দেয়। পুনরুদ্ধারকাজ শেষ হলে মসজিদটি পর্যটক, দর্শনার্থী এবং এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি আগ্রহী মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাণ ফিরছে ৮৫০ বছরের প্রাচীন মসজিদে

আপডেট সময় : ১০:৩৭:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
উত্তর ইরাকের দোহুক প্রদেশের ঐতিহাসিক বামারনি মসজিদ পুনরায় খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। মসজিদের সংস্কার কার্যক্রমের ৮০ শতাংশের বেশি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ফলে ৮৫০ বছরেরও বেশি পুরোনো এই ঐতিহাসিক স্থাপনায় আবারো প্রাণ ফিরতে যাচ্ছে। ধারণা করা হয়, মসজিদটি ১২শ শতকের আতাবেগ শাসনামলে নির্মিত হয়েছিল। বামারনি মসজিদ ওই অঞ্চলের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক মসজিদগুলোর একটি।প্রত্নতত্ত্ব বিশেষজ্ঞ ও পুনরুদ্ধারকাজের তত্ত্বাবধায়ক কোভান ইহসান জানান, বামারনির কয়েকজন বাসিন্দার উদ্যোগে দোহুক প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সহযোগিতায় মসজিদটির সংস্কারকাজ শুরু হয়। প্রত্নতত্ত্ববিদদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো মসজিদের ঐতিহাসিক বৈশষ্ট্যি অক্ষুণ্ন রেখে এর স্থাপত্যিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদানগুলো পুনরুদ্ধার করা।
ইহসান বলেন, কয়েক শতাব্দী ধরে মসজিদের ভবনে সীমিত কিছু পরিবর্তন এসেছে। এর মধ্যে উত্তর দেয়ালে পরিবর্তন এবং মেঝেতে একাধিকবার নতুন করে পাকা করার বিষয়টি উলে্লখযোগ্য। বামারনি মসজিদের সবচেয়ে উলে্লখযোগ্য একটি বৈশষ্ট্যি হলো এর প্রাচীন পানি সরবরাহব্যবস্থা। মাটির তৈরি পাইপ এবং কানাত’ অর্থাত্ ভূগর্ভস্থ পানি প্রবাহের পথ ব্যবহার করে এই ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল। যা এখনো টিকে আছে। মসজিদ প্রাঙ্গণে ঐতিহাসিক স্যানিটেশন ব্যবস্থার নিদর্শনও রয়েছে, যা প্রাচীন বামারনি গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার একটি ধারণা দেয়। পুনরুদ্ধারকাজ শেষ হলে মসজিদটি পর্যটক, দর্শনার্থী এবং এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি আগ্রহী মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।