
ইহসান বলেন, কয়েক শতাব্দী ধরে মসজিদের ভবনে সীমিত কিছু পরিবর্তন এসেছে। এর মধ্যে উত্তর দেয়ালে পরিবর্তন এবং মেঝেতে একাধিকবার নতুন করে পাকা করার বিষয়টি উলে্লখযোগ্য। বামারনি মসজিদের সবচেয়ে উলে্লখযোগ্য একটি বৈশষ্ট্যি হলো এর প্রাচীন পানি সরবরাহব্যবস্থা। মাটির তৈরি পাইপ এবং কানাত’ অর্থাত্ ভূগর্ভস্থ পানি প্রবাহের পথ ব্যবহার করে এই ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল। যা এখনো টিকে আছে। মসজিদ প্রাঙ্গণে ঐতিহাসিক স্যানিটেশন ব্যবস্থার নিদর্শনও রয়েছে, যা প্রাচীন বামারনি গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার একটি ধারণা দেয়। পুনরুদ্ধারকাজ শেষ হলে মসজিদটি পর্যটক, দর্শনার্থী এবং এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি আগ্রহী মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
প্রতিনিধির নাম 

























