ঢাকা ০৩:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

জ্বালানি ঘাটতির সমাধানে এলপিজির সাশ্রয়ী মূল্য চাইলেন উপদেষ্টা

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেছেন, এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক হাজার টাকার মধ্যে হওয়া উচিত। তিনি বলেন, দেশে স্বল্পমেয়াদি জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করতে এলপিজির দাম নিয়ন্ত্রণ জরুরি। বর্তমানে বাজারে সিলিন্ডারের দাম ১২০০ টাকার বেশি, এমনকি ১৪০০‑১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা শিল্প ও গৃহস্থালি ব্যবহারকারীদের জন্য অনুপযুক্ত।

শনিবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশে এলপিজি: অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তা’ শীর্ষক পলিসি কনক্লেভে দেওয়া ভাষণে ফাওজুল কবির বলেন, প্রতি বছর স্থানীয় গ্যাস উৎপাদন কমছে। এ সময় প্রায় ২০০ মিলিয়ন কিউবিক ফুট উৎপাদন কমেছে; তবুও আমরা মাত্র ৭০ মিলিয়ন কিউবিক ফুট নতুন গ্যাস সংগ্রহ করতে পেরেছি। এর ফলশ্রুতিতে এলএনজি আমদানি করতে হচ্ছে, যদিও এর দাম বেশি।”

তিনি আরও বলেন, এলএনজি আমদানিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া প্রয়োজন। তাই স্বল্পমেয়াদে ঘাটতি মোকাবিলায় এলপিজি একটি কার্যকর বিকল্প হতে পারে। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে দাম বর্তমান বাজারে সিলিন্ডার কিছু ক্ষেত্রেই ১৪০০‑১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাই দাম নিয়ন্ত্রণ, লজিস্টিক উন্নয়ন ও প্রাইভেট সেক্টরের কার্যকারিতা বাড়ানো জরুরি। দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক মনোভাব ছাড়া দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

উপদেষ্টা আরও জানান, দেশের জ্বালানি ঘাটতি কোনো সাধারণ সংকট নয়, এটি একটি পরিকল্পিত পরিস্থিতির ফল। ক্ষমতাসীন কিছু রাজনীতিবিদ এবং তাদের সহযোগী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর কারণে গ্যাস সরবরাহের চাহিদা উপেক্ষা করা হয়েছে। অবৈধ সংযোগ বাড়ানো হয়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও গ্যাস লাইনের পরিকল্পনায় সীমিত মনোযোগ দেয়া হয়েছে।

ট্যাগস :

চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়েতে ১৯৩ কোটি টাকা লুটপাটের নতুন ছক: মাস্টারমাইন্ড পিডি মাহফুজ!

জ্বালানি ঘাটতির সমাধানে এলপিজির সাশ্রয়ী মূল্য চাইলেন উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৫:৪৮:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেছেন, এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক হাজার টাকার মধ্যে হওয়া উচিত। তিনি বলেন, দেশে স্বল্পমেয়াদি জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করতে এলপিজির দাম নিয়ন্ত্রণ জরুরি। বর্তমানে বাজারে সিলিন্ডারের দাম ১২০০ টাকার বেশি, এমনকি ১৪০০‑১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা শিল্প ও গৃহস্থালি ব্যবহারকারীদের জন্য অনুপযুক্ত।

শনিবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশে এলপিজি: অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তা’ শীর্ষক পলিসি কনক্লেভে দেওয়া ভাষণে ফাওজুল কবির বলেন, প্রতি বছর স্থানীয় গ্যাস উৎপাদন কমছে। এ সময় প্রায় ২০০ মিলিয়ন কিউবিক ফুট উৎপাদন কমেছে; তবুও আমরা মাত্র ৭০ মিলিয়ন কিউবিক ফুট নতুন গ্যাস সংগ্রহ করতে পেরেছি। এর ফলশ্রুতিতে এলএনজি আমদানি করতে হচ্ছে, যদিও এর দাম বেশি।”

তিনি আরও বলেন, এলএনজি আমদানিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া প্রয়োজন। তাই স্বল্পমেয়াদে ঘাটতি মোকাবিলায় এলপিজি একটি কার্যকর বিকল্প হতে পারে। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে দাম বর্তমান বাজারে সিলিন্ডার কিছু ক্ষেত্রেই ১৪০০‑১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাই দাম নিয়ন্ত্রণ, লজিস্টিক উন্নয়ন ও প্রাইভেট সেক্টরের কার্যকারিতা বাড়ানো জরুরি। দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক মনোভাব ছাড়া দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

উপদেষ্টা আরও জানান, দেশের জ্বালানি ঘাটতি কোনো সাধারণ সংকট নয়, এটি একটি পরিকল্পিত পরিস্থিতির ফল। ক্ষমতাসীন কিছু রাজনীতিবিদ এবং তাদের সহযোগী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর কারণে গ্যাস সরবরাহের চাহিদা উপেক্ষা করা হয়েছে। অবৈধ সংযোগ বাড়ানো হয়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও গ্যাস লাইনের পরিকল্পনায় সীমিত মনোযোগ দেয়া হয়েছে।