ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

শহীদ_মাহিন_সাইমুন: লাল-সবুজের পতাকায় মোড়ানো এক অমর বীরগাথা

১৮ জুলাই, ২০২৪। যখন কোটা সংস্কারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা রাজপথে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলছিল, তখন সন্দ্বীপের বীর সন্তান মাহিন সাইমুন বসে থাকতে পারেনি। নিজের কোনো বৈষয়িক স্বার্থ বা কোটার সাথে সম্পর্ক না থাকলেও, শুধু সমবয়সীদের ওপর হওয়া অন্যায় আর দেশের মানুষের মুক্তির টানে সে ছুটে এসেছিল রাজপথে।

সারাটা দিন লড়াকু ভাইবোনদের পাশে থেকে অধিকার আদায়ের মিছিলে কণ্ঠ মিলিয়েছিল সাইমুন। কিন্তু আসরের ঠিক পরপরই বহদ্দারহাটের বুকে নেমে আসে হায়েনাদের নারকীয় তাণ্ডব। প্রকাশ্যে নির্মমভাবে গুলি করে কেড়ে নেওয়া হয় এই তাজা প্রাণটি। বহদ্দারহাটের তপ্ত সড়ক রঞ্জিত হয় সাইমুনের পবিত্র রক্তে।

কিন্তু ঘাতকের বুলেট সাইমুনের ভেতরের দেশপ্রেমকে দমাতে পারেনি। মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার শেষ মুহূর্তেও তার অবশ হয়ে আসা হাত দুটি শক্ত করে ধরে রেখেছিল আমাদের প্রাণের লাল-সবুজ পতাকা। সে পতাকা ছাড়েনি, মাথা নোয়ায়নি ফ্যাসিবাদের কাছে।

জুলাই অভ্যুত্থানের এই অকুতোভয় বীর শহীদ মাহিন সাইমুনের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং মহান আল্লাহর দরবারে তার শাহাদাতের সর্বোচ্চ কবুলিয়াত প্রার্থনা করছি। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি রইলো আমার গভীর সমবেদনা।

সন্দ্বীপের মাটি ও বাংলাদেশের ইতিহাস সাইমুনের এই সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকে চিরকাল শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ রাখবে। তোমার রক্ত বৃথা যেতে দেবো না, ভাই।

শ্রদ্ধাবনত—
তারিকুল আলম তেনজিং
সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি (দপ্তরে দায়িত্বপ্রাপ্ত)
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইউসিটিসিতে “OBE for Academic Excellence” শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

শহীদ_মাহিন_সাইমুন: লাল-সবুজের পতাকায় মোড়ানো এক অমর বীরগাথা

আপডেট সময় : ০১:০৫:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

১৮ জুলাই, ২০২৪। যখন কোটা সংস্কারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা রাজপথে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলছিল, তখন সন্দ্বীপের বীর সন্তান মাহিন সাইমুন বসে থাকতে পারেনি। নিজের কোনো বৈষয়িক স্বার্থ বা কোটার সাথে সম্পর্ক না থাকলেও, শুধু সমবয়সীদের ওপর হওয়া অন্যায় আর দেশের মানুষের মুক্তির টানে সে ছুটে এসেছিল রাজপথে।

সারাটা দিন লড়াকু ভাইবোনদের পাশে থেকে অধিকার আদায়ের মিছিলে কণ্ঠ মিলিয়েছিল সাইমুন। কিন্তু আসরের ঠিক পরপরই বহদ্দারহাটের বুকে নেমে আসে হায়েনাদের নারকীয় তাণ্ডব। প্রকাশ্যে নির্মমভাবে গুলি করে কেড়ে নেওয়া হয় এই তাজা প্রাণটি। বহদ্দারহাটের তপ্ত সড়ক রঞ্জিত হয় সাইমুনের পবিত্র রক্তে।

কিন্তু ঘাতকের বুলেট সাইমুনের ভেতরের দেশপ্রেমকে দমাতে পারেনি। মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার শেষ মুহূর্তেও তার অবশ হয়ে আসা হাত দুটি শক্ত করে ধরে রেখেছিল আমাদের প্রাণের লাল-সবুজ পতাকা। সে পতাকা ছাড়েনি, মাথা নোয়ায়নি ফ্যাসিবাদের কাছে।

জুলাই অভ্যুত্থানের এই অকুতোভয় বীর শহীদ মাহিন সাইমুনের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং মহান আল্লাহর দরবারে তার শাহাদাতের সর্বোচ্চ কবুলিয়াত প্রার্থনা করছি। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি রইলো আমার গভীর সমবেদনা।

সন্দ্বীপের মাটি ও বাংলাদেশের ইতিহাস সাইমুনের এই সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকে চিরকাল শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ রাখবে। তোমার রক্ত বৃথা যেতে দেবো না, ভাই।

শ্রদ্ধাবনত—
তারিকুল আলম তেনজিং
সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি (দপ্তরে দায়িত্বপ্রাপ্ত)
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)