
জাতীয় প্রেসক্লাবে আন্দোলনরত ৮ দলের জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, দেশের ভবিষ্যৎ এগিয়ে নিতে আটটি রাজনৈতিক দল একসাথে কাজ করে আসছিল এবং সেই ধারাবাহিকতায় কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রমের নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ও ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, “এটাকে জোট বলুন বা সমঝোতা বলুন—তবে এটি জোটের চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী।”
ডা. শফিকুর রহমান জানান, এনসিপির সঙ্গে তাদের বৈঠক ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা অভ্যন্তরীণ আলোচনা শেষে আজ রাতেই পৃথক এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমেদ আব্দুল কাদের বাচ্চু, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকনসহ আন্দোলনরত ৮ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
আমীরে জামায়াত বলেন, দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনে পারস্পরিক আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে আসন বণ্টন প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। মাত্র কয়েকটি বিষয় বাকি রয়েছে, যা মনোনয়নপত্র দাখিলের পরই সমাধান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরও জানান, আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দল এই উদ্যোগে আগ্রহী থাকলেও প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে এসে তাদের অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “২০২৪ সালে যে বিপ্লব পরিপূর্ণতা পেয়েছে, তার ত্যাগ ও কুরবানির সূচনা হয়েছিল ২০০৯ সাল থেকেই।” তিনি বিডিআর হত্যাকাণ্ডসহ দীর্ঘ রাজনৈতিক নিপীড়নের কথা উল্লেখ করে শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঘোষিত তারিখে কোনো পরিবর্তন না এনে যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। তবে এখনো নির্বাচনের জন্য সমতল মাঠ তৈরি হয়নি উল্লেখ করে তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো ধরনের ব্যত্যয় জাতি মেনে নেবে না, কারণ অতীতের এমন ব্যত্যয়ের কারণেই দেশের বহু মূল্যবান বছর নষ্ট হয়েছে।
প্রতিনিধির নাম 
























