ঢাকা ০৯:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২

ভূমিকম্পজনিত ঝুঁকিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ, রোববারের মধ্যে হল খালি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভূমিকম্পের পর উদ্ভূত জরুরি পরিস্থিতিতে আগামী ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেছে। এ কারণে রোববার (২৩ নভেম্বর) বিকেল ৫টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২২ নভেম্বর) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের জরুরি ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় উপস্থিত সদস্যরা বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রাখা এবং দ্রুত আবাসিক হল খালি করার বিষয়ে একমত হন। এ জন্য প্রাধ্যক্ষদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সভায় সাম্প্রতিক ভূমিকম্প ও পরবর্তী আফটারশকের কারণে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক ঝুঁকি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। তাদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথা জানানো হয়।

বুয়েটের বিশেষজ্ঞ দল, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক এবং প্রধান প্রকৌশলীর উপস্থাপিত মতামত পর্যালোচনায় জানা যায় ভূমিকম্পের পর আবাসিক হলগুলোর কাঠামোগত অবস্থা বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করা জরুরি। ঝুঁকি নিরূপণ ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের স্বার্থেই হলগুলো সাময়িকভাবে খালি রাখা প্রয়োজন।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসসমূহ স্বাভাবিক নিয়মে খোলা থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

ভূমিকম্পজনিত ঝুঁকিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ, রোববারের মধ্যে হল খালি

আপডেট সময় : ১১:০০:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভূমিকম্পের পর উদ্ভূত জরুরি পরিস্থিতিতে আগামী ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেছে। এ কারণে রোববার (২৩ নভেম্বর) বিকেল ৫টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২২ নভেম্বর) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের জরুরি ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় উপস্থিত সদস্যরা বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রাখা এবং দ্রুত আবাসিক হল খালি করার বিষয়ে একমত হন। এ জন্য প্রাধ্যক্ষদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সভায় সাম্প্রতিক ভূমিকম্প ও পরবর্তী আফটারশকের কারণে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক ঝুঁকি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। তাদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথা জানানো হয়।

বুয়েটের বিশেষজ্ঞ দল, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক এবং প্রধান প্রকৌশলীর উপস্থাপিত মতামত পর্যালোচনায় জানা যায় ভূমিকম্পের পর আবাসিক হলগুলোর কাঠামোগত অবস্থা বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করা জরুরি। ঝুঁকি নিরূপণ ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের স্বার্থেই হলগুলো সাময়িকভাবে খালি রাখা প্রয়োজন।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসসমূহ স্বাভাবিক নিয়মে খোলা থাকবে বলে জানানো হয়েছে।