ঢাকা ০৯:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২

২৬-৩০ নভেম্বর বঙ্গোপসাগরে তীব্র ঝড়ের সম্ভাবনা, উপকূলীয় এলাকা সতর্ক

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হতে পারে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ওড়িশাটিভি রোববার (২৩ নভেম্বর) এই তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে শুরু হওয়া দুর্বল নিম্নচাপটি বর্তমানে ‘সুস্পষ্ট নিম্নচাপ অঞ্চলে’ পরিণত হয়েছে এবং সোমবার এটি আরও শক্তিশালী হয়ে নিম্নচাপে রূপ নেবে। বর্তমানে এটি দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণ আন্দামান সাগরের দিকে এগোচ্ছে। তবে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে এর গতিপথ ও আঘাতের স্থান এখনও নিশ্চিত নয়। ধারণা করা হচ্ছে, ২৫ নভেম্বরের মধ্যে এটি দক্ষিণ আন্দামান সাগরের কাছে ঘনীভূত হবে।

ভারতীয় আবহাওয়াবিদ সন্দীপ পট্টনায়ক জানিয়েছেন, “মালাক্কা প্রণালি ও দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের অনুকূল পরিস্থিতির কারণে দুর্বল নিম্নচাপটি ম্যাডেন-জুলিয়ান অসিলেশন অতিক্রম করে শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। সমুদ্রের বিস্তীর্ণ জলরাশি ও প্রশান্ত মহাসাগর থেকে প্রবাহিত শক্তিশালী বাতাসের কারণে এটি তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শীতল বাতাসের অনুপ্রবেশ না থাকায় এটি আরও শক্তিশালী হতে পারে।”

তাঁর মতে, এই আবহাওয়া সিস্টেমটি ২১ নভেম্বর থেকে ২-৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। বিশেষ করে ২৬-৩০ নভেম্বরের মধ্যে এর তীব্রতা সর্বাধিক বৃদ্ধি পেতে পারে। ওই সময়ের মধ্যে দুর্বল নিম্নচাপটি দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর, অন্ধ্র প্রদেশ ও ওড়িশা উপকূলের কাছে শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে।

প্রতিকূল আবহাওয়ার প্রভাবে ২৫ নভেম্বর সন্ধ্যা থেকে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০-৬০ কিলোমিটার হতে পারে। ২৬ নভেম্বর তা ৬০-৭০, কখনও ৮০ কিলোমিটারেরও বেশি এবং ২৭ নভেম্বর ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

২৬-৩০ নভেম্বর বঙ্গোপসাগরে তীব্র ঝড়ের সম্ভাবনা, উপকূলীয় এলাকা সতর্ক

আপডেট সময় : ০৫:৩২:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হতে পারে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ওড়িশাটিভি রোববার (২৩ নভেম্বর) এই তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে শুরু হওয়া দুর্বল নিম্নচাপটি বর্তমানে ‘সুস্পষ্ট নিম্নচাপ অঞ্চলে’ পরিণত হয়েছে এবং সোমবার এটি আরও শক্তিশালী হয়ে নিম্নচাপে রূপ নেবে। বর্তমানে এটি দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণ আন্দামান সাগরের দিকে এগোচ্ছে। তবে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে এর গতিপথ ও আঘাতের স্থান এখনও নিশ্চিত নয়। ধারণা করা হচ্ছে, ২৫ নভেম্বরের মধ্যে এটি দক্ষিণ আন্দামান সাগরের কাছে ঘনীভূত হবে।

ভারতীয় আবহাওয়াবিদ সন্দীপ পট্টনায়ক জানিয়েছেন, “মালাক্কা প্রণালি ও দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের অনুকূল পরিস্থিতির কারণে দুর্বল নিম্নচাপটি ম্যাডেন-জুলিয়ান অসিলেশন অতিক্রম করে শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। সমুদ্রের বিস্তীর্ণ জলরাশি ও প্রশান্ত মহাসাগর থেকে প্রবাহিত শক্তিশালী বাতাসের কারণে এটি তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শীতল বাতাসের অনুপ্রবেশ না থাকায় এটি আরও শক্তিশালী হতে পারে।”

তাঁর মতে, এই আবহাওয়া সিস্টেমটি ২১ নভেম্বর থেকে ২-৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। বিশেষ করে ২৬-৩০ নভেম্বরের মধ্যে এর তীব্রতা সর্বাধিক বৃদ্ধি পেতে পারে। ওই সময়ের মধ্যে দুর্বল নিম্নচাপটি দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর, অন্ধ্র প্রদেশ ও ওড়িশা উপকূলের কাছে শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে।

প্রতিকূল আবহাওয়ার প্রভাবে ২৫ নভেম্বর সন্ধ্যা থেকে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০-৬০ কিলোমিটার হতে পারে। ২৬ নভেম্বর তা ৬০-৭০, কখনও ৮০ কিলোমিটারেরও বেশি এবং ২৭ নভেম্বর ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।