ঢাকা ০৩:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে ১৩৩ ভূমিকম্প, বড় বিপর্যয়ে প্রস্তুতিহীন বাংলাদেশ

ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণে কাজ করা জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ‘আর্থকোয়াকট্র্যাকার ডটকম’-এর তথ্যে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে অন্তত ১৩৩টি ভূমিকম্প হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলের আপডেটে আরও জানা যায়, গত সাত দিনে ৮৫৪টি এবং গত এক মাসে ৩ হাজার ৫৫৮টি ভূমিকম্প রেকর্ড হয়েছে।

এদিকে, শুক্রবার (২১ নভেম্বর) কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প বাংলাদেশকে নাড়িয়ে দেয়, যাতে ১০ জনের প্রাণহানি ঘটে। পরদিন আরও তিন দফা কম্পনে আতঙ্ক বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন ঘন ঘন কম্পন বড় ভূমিকম্পের ইঙ্গিত দিলেও দেশ প্রস্তুত নয়। সরকারি উদ্যোগ কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ, বাস্তবে পর্যাপ্ত প্রস্তুতির প্রমাণ মেলেনি।

রাজউকের দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে ঢাকার কাঠামোগত ঝুঁকি বেড়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনায় জরুরি কেন্দ্র থাকলেও জনবল নেই; মহড়া বা সচেতনতা কার্যক্রমও নেই। ভূমিকম্প গবেষণা কেন্দ্রেও আধুনিক সফটওয়্যার, তাৎক্ষণিক বিশ্লেষণ ও পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় সবকিছু চলছে জোড়াতালি দিয়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রানা প্লাজার পর কেনা বিপুল পরিমাণ উদ্ধার সরঞ্জামের বড় অংশই ব্যবহৃত না হওয়ায় অকেজো হয়ে পড়েছে। বড় দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় বাংলাদেশ এখনও কার্যত শূন্য। তাই তারা পরিকল্পিত নগরায়ন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন অপসারণ এবং উন্নত প্রযুক্তি-ভিত্তিক জরুরি প্রস্তুতি বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে ১৩৩ ভূমিকম্প, বড় বিপর্যয়ে প্রস্তুতিহীন বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৫:৫০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণে কাজ করা জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ‘আর্থকোয়াকট্র্যাকার ডটকম’-এর তথ্যে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে অন্তত ১৩৩টি ভূমিকম্প হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলের আপডেটে আরও জানা যায়, গত সাত দিনে ৮৫৪টি এবং গত এক মাসে ৩ হাজার ৫৫৮টি ভূমিকম্প রেকর্ড হয়েছে।

এদিকে, শুক্রবার (২১ নভেম্বর) কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প বাংলাদেশকে নাড়িয়ে দেয়, যাতে ১০ জনের প্রাণহানি ঘটে। পরদিন আরও তিন দফা কম্পনে আতঙ্ক বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন ঘন ঘন কম্পন বড় ভূমিকম্পের ইঙ্গিত দিলেও দেশ প্রস্তুত নয়। সরকারি উদ্যোগ কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ, বাস্তবে পর্যাপ্ত প্রস্তুতির প্রমাণ মেলেনি।

রাজউকের দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে ঢাকার কাঠামোগত ঝুঁকি বেড়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনায় জরুরি কেন্দ্র থাকলেও জনবল নেই; মহড়া বা সচেতনতা কার্যক্রমও নেই। ভূমিকম্প গবেষণা কেন্দ্রেও আধুনিক সফটওয়্যার, তাৎক্ষণিক বিশ্লেষণ ও পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় সবকিছু চলছে জোড়াতালি দিয়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রানা প্লাজার পর কেনা বিপুল পরিমাণ উদ্ধার সরঞ্জামের বড় অংশই ব্যবহৃত না হওয়ায় অকেজো হয়ে পড়েছে। বড় দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় বাংলাদেশ এখনও কার্যত শূন্য। তাই তারা পরিকল্পিত নগরায়ন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন অপসারণ এবং উন্নত প্রযুক্তি-ভিত্তিক জরুরি প্রস্তুতি বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন।