ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ঘুষের বিনিময়ে ভুয়া নথিতে ২০ তলা ভবনের অনুমোদন: চউকের তিন পরিদর্শকের খুঁটির জোর কোথায়?

চট্টগ্রাম শহরে অবৈধ ভবন নির্মাণ যেন থামছেই না। নগর উন্নয়নের দায়িত্বে থাকা চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) কিছু ইমারত পরিদর্শকের বিরুদ্ধে ঘুষ ও অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে নিয়মবহির্ভূত ভবন অনুমোদনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, নকশা পরিবর্তন, সরু রাস্তা প্রশস্ত দেখানো, সরকারি জমিকে ব্যক্তিমালিকানাধীন হিসেবে উপস্থাপন, এমনকি ভুয়া খতিয়ান তৈরি করেও ভবনের অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। অথচ ভবন অনুমোদন থেকে নির্মাণকাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত আইনগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ইমারত পরিদর্শকদের একটি অংশই এসব অনিয়মের মূল সহায়ক হিসেবে অভিযুক্ত। দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ উঠলেও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি চউক। অভিযোগে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে তিন ইমারত পরিদর্শক, আবু জাফর ইকবাল, আব্দুর রশিদ ও বিমান বড়ুয়া।

​নগরীর আগ্রাবাদ বাদামতলী এলাকায় সরকারি জমিকে ব্যক্তিমালিকানাধীন দেখিয়ে ২০ তলা বাণিজ্যিক ভবনের অনুমোদন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) সাবেক অথরাইজড অফিসার মোহাম্মদ ইলিয়াসের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, দাল্লা মেডিকেলের পেছনে অবস্থিত “মুনতাসির বিল্ডিং লিমিটেড” এর নামে ভবনটির অনুমোদন দেওয়া হয় ২০২৩ সালে। অনুমোদনের স্মারক নম্বর—২৫.৪৭.১৫০০.০৭৩.৪৩.১৯১.২৩।
​রাস্তা নেই, নেই গণপূর্তের অনাপত্তি

​সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ভবনটির জন্য প্রয়োজনীয় বৈধ প্রবেশপথ (অ্যাকসেস রোড) না থাকা সত্ত্বেও অলৌকিকভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। এছাড়া গণপূর্ত অধিদপ্তরের মালিকানাধীন জমিকে ব্যক্তিমালিকানাধীন হিসেবে দেখিয়ে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো অনাপত্তি বা অনুমতি ছাড়াই নকশা অনুমোদন করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঘুষের বিনিময়ে ভুয়া নথিতে ২০ তলা ভবনের অনুমোদন: চউকের তিন পরিদর্শকের খুঁটির জোর কোথায়?

ঘুষের বিনিময়ে ভুয়া নথিতে ২০ তলা ভবনের অনুমোদন: চউকের তিন পরিদর্শকের খুঁটির জোর কোথায়?

আপডেট সময় : ১২:৪০:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

চট্টগ্রাম শহরে অবৈধ ভবন নির্মাণ যেন থামছেই না। নগর উন্নয়নের দায়িত্বে থাকা চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) কিছু ইমারত পরিদর্শকের বিরুদ্ধে ঘুষ ও অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে নিয়মবহির্ভূত ভবন অনুমোদনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, নকশা পরিবর্তন, সরু রাস্তা প্রশস্ত দেখানো, সরকারি জমিকে ব্যক্তিমালিকানাধীন হিসেবে উপস্থাপন, এমনকি ভুয়া খতিয়ান তৈরি করেও ভবনের অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। অথচ ভবন অনুমোদন থেকে নির্মাণকাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত আইনগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ইমারত পরিদর্শকদের একটি অংশই এসব অনিয়মের মূল সহায়ক হিসেবে অভিযুক্ত। দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ উঠলেও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি চউক। অভিযোগে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে তিন ইমারত পরিদর্শক, আবু জাফর ইকবাল, আব্দুর রশিদ ও বিমান বড়ুয়া।

​নগরীর আগ্রাবাদ বাদামতলী এলাকায় সরকারি জমিকে ব্যক্তিমালিকানাধীন দেখিয়ে ২০ তলা বাণিজ্যিক ভবনের অনুমোদন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) সাবেক অথরাইজড অফিসার মোহাম্মদ ইলিয়াসের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, দাল্লা মেডিকেলের পেছনে অবস্থিত “মুনতাসির বিল্ডিং লিমিটেড” এর নামে ভবনটির অনুমোদন দেওয়া হয় ২০২৩ সালে। অনুমোদনের স্মারক নম্বর—২৫.৪৭.১৫০০.০৭৩.৪৩.১৯১.২৩।
​রাস্তা নেই, নেই গণপূর্তের অনাপত্তি

​সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ভবনটির জন্য প্রয়োজনীয় বৈধ প্রবেশপথ (অ্যাকসেস রোড) না থাকা সত্ত্বেও অলৌকিকভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। এছাড়া গণপূর্ত অধিদপ্তরের মালিকানাধীন জমিকে ব্যক্তিমালিকানাধীন হিসেবে দেখিয়ে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো অনাপত্তি বা অনুমতি ছাড়াই নকশা অনুমোদন করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।