ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

নতুন শর্ত না মানলে আয় বন্ধ হতে পারে ইউটিউবারদের

ইউটিউব থেকে আয় করতে আগ্রহী নতুন কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য বড় পরিবর্তন আনছে গুগল। ২০২৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামে (YPP) বিজ্ঞাপন ও প্রিমিয়াম আয়ের যোগ্যতা অর্জনের শর্ত আরও কঠিন করা হবে। ফলে নতুন ইউটিউবারদের মনিটাইজেশন পেতে আগের তুলনায় দ্বিগুণ পর্যন্ত বেশি ভিউ বা ওয়াচ আওয়ার প্রয়োজন হবে।

ইউটিউব জানিয়েছে, নতুন শর্ত গ্রহণের শেষ সময় ৩১ জানুয়ারি ২০২৭। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শর্ত গ্রহণ না করলে আয় অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। নতুন নিয়ম কার্যকর হবে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ থেকে অথবা কোনো ক্রিয়েটর এর পরে শর্ত গ্রহণ করলে, গ্রহণের তারিখ থেকে।

ইউটিউবের নতুন মনিটাইজেশন নিয়মে কী পরিবর্তন এসেছে?
নতুন শর্তের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ইউটিউব এখন সাধারণ ভিডিও এবং শর্টসের মনিটাইজেশনকে আলাদা কাঠামোয় ব্যাখ্যা করেছে। সাধারণ ভিডিওর ক্ষেত্রে ভিডিও দেখার পেজে বিজ্ঞাপন থেকে পাওয়া নিট আয়ের ৫৫ শতাংশ ক্রিয়েটরদের দেওয়ার নিয়ম রাখা হয়েছে। ইউটিউব প্রিমিয়াম ও প্রিমিয়াম লাইটের আয়ও নির্দিষ্ট হিসাব অনুযায়ী ভাগ হবে।

কপাল পুড়লো ইউটিউবারদের, টাকা আয় আরও কঠিন হচ্ছে
অন্যদিকে ইউটিউব শর্টসের জন্য আলাদা মনিটাইজেশন কাঠামো রাখা হয়েছে। শর্টস ফিডে বিজ্ঞাপন থেকে পাওয়া আয়ের ক্ষেত্রে ক্রিয়েটরদের ৪৫ শতাংশ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ইউটিউব প্রিমিয়াম লাইট থেকেও আয় হবে
নতুন নিয়মে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সংযোজনগুলোর একটি হলো ইউটিউব প্রিমিয়াম লাইট। প্রিমিয়াম লাইট থেকে পাওয়া আয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ ক্রিয়েটরদের কনটেন্ট কতটা দেখা হচ্ছে, তার ভিত্তিতে হিসাব করা হবে। লং ভিডিও এবং শর্টস, দুই ধরনের কনটেন্টের ক্ষেত্রেই প্রিমিয়াম লাইটের আয় ভাগের নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে। এর মানে, দর্শকদের একটি অংশ যদি প্রিমিয়াম লাইট ব্যবহার করে এবং তারা আপনার কনটেন্ট দেখে, সেই ব্যবহারও ক্রিয়েটরদের আয়ের হিসাবের মধ্যে আসতে পারে।

ইউটিউব মিউজিক থেকেও আসতে পারে ক্রিয়েটরদের আয়
নতুন শর্তে ইউটিউব মিউজিক প্রিমিয়ামের বিষয়টিও স্পষ্ট করা হয়েছে। কোনো ক্রিয়েটরের কনটেন্ট ইউটিউব মিউজিক প্রিমিয়ামের অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হলে, সেই কনটেন্ট থেকেও আয় ভাগ পাওয়ার নিয়ম রয়েছে। কতটা আয় পাওয়া যাবে, তা সংশ্লিষ্ট কনটেন্টের দেখার সময়ের ওপর নির্ভর করবে।

শর্টসে অন্যের কনটেন্ট ব্যবহার করলে কী হবে?
শর্টস নির্মাতাদের জন্য এই অংশটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কোনো শর্টসে অন্যের কনটেন্ট ব্যবহার করা হলে সেই ভিডিওর প্রতিটি ভিউয়ের পুরো কৃতিত্ব শুধু আপলোডকারী ক্রিয়েটর নাও পেতে পারেন। ইউটিউব কনটেন্টের অবদান অনুযায়ী ভিউ ভাগ করতে পারে। অর্থাৎ অন্যের ভিডিও, গান বা কনটেন্টের অংশ ব্যবহার করলে মনিটাইজেশনের হিসাব পরিবর্তিত হতে পারে।

সংগীত ব্যবহারের ক্ষেত্রেও আলাদা হিসাব রয়েছে। শর্টসে লাইসেন্স করা গান বা অন্য সংগীত কনটেন্ট থাকলে সেটির অবদান অনুযায়ী শর্টসের আয় ভাগের হিসাব করা হবে।

শর্টস মনিটাইজেশনে ন্যূনতম ভিউয়ের শর্ত
শর্টস থেকে বিজ্ঞাপন ও সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক আয় পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট ন্যূনতম ভিউয়ের শর্ত রয়েছে। ইউটিউব জানিয়েছে, কোনো মাসের আয়ের যোগ্যতা নির্ধারণের সময় আগের ৯০ দিনের ভিউ বিবেচনা করা হবে। কত ভিউ প্রয়োজন হবে, সেটি ইউটিউবের শর্টস মনিটাইজেশন নীতিমালায় নির্ধারিত থাকবে।

বিজ্ঞাপনদাতাদের সঙ্গে তথ্য শেয়ার করে বাড়তে পারে আয়ের সুযোগ
নতুন শর্তে ক্রিয়েটরদের জন্য একটি ঐচ্ছিক সুবিধাও রাখা হয়েছে। চাইলে তারা নিজেদের চ্যানেলের কার্যক্রম, দর্শকদের সম্পৃক্ততা এবং পারফরম্যান্সের তথ্য বিজ্ঞাপনদাতা ও ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে শেয়ার করার অনুমতি দিতে পারবেন।
এর উদ্দেশ্য হলো বিজ্ঞাপনদাতা বা ব্র্যান্ডের কাছ থেকে অতিরিক্ত কাজ ও আয়ের সুযোগ তৈরি করা। তবে এটি বাধ্যতামূলক নয় এবং ইউটিউব নির্দিষ্ট অতিরিক্ত আয়ের নিশ্চয়তা দেয়নি।

নতুন নিয়মে ইউটিউব ক্রিয়েটরদের আয় বাড়বে নাকি কমবে?
এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর এখনই দেওয়া কঠিন। নতুন শর্তে ক্রিয়েটরদের আয় কমিয়ে দেওয়ার কোনো সরাসরি ঘোষণা নেই। বরং প্রিমিয়াম লাইট, ইউটিউব মিউজিক এবং বিভিন্ন ধরনের কনটেন্টের আয়ের হিসাব আরও স্পষ্ট করা হয়েছে।

তবে আয় সবার জন্য একইভাবে বাড়বে না। একজন ক্রিয়েটর কত আয় করবেন, তা নির্ভর করবে তার ভিডিওর ভিউ, দর্শক কোথা থেকে আসছেন, কতক্ষণ ভিডিও দেখছেন, প্রিমিয়াম ব্যবহারকারীদের অংশগ্রহণ এবং শর্টসে অন্যের কনটেন্ট বা সংগীত ব্যবহার করা হয়েছে কি না, এসব বিষয়ের ওপর।

ইউটিউব ক্রিয়েটরদের এখন কী করতে হবে?
ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামে থাকা ক্রিয়েটরদের নতুন শর্তগুলো ভালোভাবে পড়ে দেখা উচিত। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তারিখ হলো ৩১ জানুয়ারি ২০২৭। এই সময়ের মধ্যে নতুন শর্ত গ্রহণ করতে হবে।

তবে ইউটিউবের নতুন মনিটাইজেশন নিয়মে মূল পরিবর্তন হলো বিভিন্ন ধরনের ভিডিও ও সাবস্ক্রিপশন সেবা থেকে আয় কীভাবে ভাগ হবে, সেটি আরও পরিষ্কার করা। বিশেষ করে শর্টস নির্মাতাদের জন্য অন্যের কনটেন্ট ও সংগীত ব্যবহারের নিয়মটি নজরে রাখা জরুরি। যদিও নতুন নিয়মে সরাসরি আয় কমানোর ঘোষণা নেই। বরং কিছু ক্ষেত্রে নতুন আয়ের পথ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কার আয় কতটা বাড়বে বা কমবে, সেটি নির্ভর করবে কনটেন্টের ধরন ও দর্শকদের আচরণের ওপর।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন শর্ত না মানলে আয় বন্ধ হতে পারে ইউটিউবারদের

আপডেট সময় : ০৪:০৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
ইউটিউব থেকে আয় করতে আগ্রহী নতুন কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য বড় পরিবর্তন আনছে গুগল। ২০২৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামে (YPP) বিজ্ঞাপন ও প্রিমিয়াম আয়ের যোগ্যতা অর্জনের শর্ত আরও কঠিন করা হবে। ফলে নতুন ইউটিউবারদের মনিটাইজেশন পেতে আগের তুলনায় দ্বিগুণ পর্যন্ত বেশি ভিউ বা ওয়াচ আওয়ার প্রয়োজন হবে।

ইউটিউব জানিয়েছে, নতুন শর্ত গ্রহণের শেষ সময় ৩১ জানুয়ারি ২০২৭। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শর্ত গ্রহণ না করলে আয় অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। নতুন নিয়ম কার্যকর হবে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ থেকে অথবা কোনো ক্রিয়েটর এর পরে শর্ত গ্রহণ করলে, গ্রহণের তারিখ থেকে।

ইউটিউবের নতুন মনিটাইজেশন নিয়মে কী পরিবর্তন এসেছে?
নতুন শর্তের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ইউটিউব এখন সাধারণ ভিডিও এবং শর্টসের মনিটাইজেশনকে আলাদা কাঠামোয় ব্যাখ্যা করেছে। সাধারণ ভিডিওর ক্ষেত্রে ভিডিও দেখার পেজে বিজ্ঞাপন থেকে পাওয়া নিট আয়ের ৫৫ শতাংশ ক্রিয়েটরদের দেওয়ার নিয়ম রাখা হয়েছে। ইউটিউব প্রিমিয়াম ও প্রিমিয়াম লাইটের আয়ও নির্দিষ্ট হিসাব অনুযায়ী ভাগ হবে।

কপাল পুড়লো ইউটিউবারদের, টাকা আয় আরও কঠিন হচ্ছে
অন্যদিকে ইউটিউব শর্টসের জন্য আলাদা মনিটাইজেশন কাঠামো রাখা হয়েছে। শর্টস ফিডে বিজ্ঞাপন থেকে পাওয়া আয়ের ক্ষেত্রে ক্রিয়েটরদের ৪৫ শতাংশ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ইউটিউব প্রিমিয়াম লাইট থেকেও আয় হবে
নতুন নিয়মে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সংযোজনগুলোর একটি হলো ইউটিউব প্রিমিয়াম লাইট। প্রিমিয়াম লাইট থেকে পাওয়া আয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ ক্রিয়েটরদের কনটেন্ট কতটা দেখা হচ্ছে, তার ভিত্তিতে হিসাব করা হবে। লং ভিডিও এবং শর্টস, দুই ধরনের কনটেন্টের ক্ষেত্রেই প্রিমিয়াম লাইটের আয় ভাগের নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে। এর মানে, দর্শকদের একটি অংশ যদি প্রিমিয়াম লাইট ব্যবহার করে এবং তারা আপনার কনটেন্ট দেখে, সেই ব্যবহারও ক্রিয়েটরদের আয়ের হিসাবের মধ্যে আসতে পারে।

ইউটিউব মিউজিক থেকেও আসতে পারে ক্রিয়েটরদের আয়
নতুন শর্তে ইউটিউব মিউজিক প্রিমিয়ামের বিষয়টিও স্পষ্ট করা হয়েছে। কোনো ক্রিয়েটরের কনটেন্ট ইউটিউব মিউজিক প্রিমিয়ামের অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হলে, সেই কনটেন্ট থেকেও আয় ভাগ পাওয়ার নিয়ম রয়েছে। কতটা আয় পাওয়া যাবে, তা সংশ্লিষ্ট কনটেন্টের দেখার সময়ের ওপর নির্ভর করবে।

শর্টসে অন্যের কনটেন্ট ব্যবহার করলে কী হবে?
শর্টস নির্মাতাদের জন্য এই অংশটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কোনো শর্টসে অন্যের কনটেন্ট ব্যবহার করা হলে সেই ভিডিওর প্রতিটি ভিউয়ের পুরো কৃতিত্ব শুধু আপলোডকারী ক্রিয়েটর নাও পেতে পারেন। ইউটিউব কনটেন্টের অবদান অনুযায়ী ভিউ ভাগ করতে পারে। অর্থাৎ অন্যের ভিডিও, গান বা কনটেন্টের অংশ ব্যবহার করলে মনিটাইজেশনের হিসাব পরিবর্তিত হতে পারে।

সংগীত ব্যবহারের ক্ষেত্রেও আলাদা হিসাব রয়েছে। শর্টসে লাইসেন্স করা গান বা অন্য সংগীত কনটেন্ট থাকলে সেটির অবদান অনুযায়ী শর্টসের আয় ভাগের হিসাব করা হবে।

শর্টস মনিটাইজেশনে ন্যূনতম ভিউয়ের শর্ত
শর্টস থেকে বিজ্ঞাপন ও সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক আয় পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট ন্যূনতম ভিউয়ের শর্ত রয়েছে। ইউটিউব জানিয়েছে, কোনো মাসের আয়ের যোগ্যতা নির্ধারণের সময় আগের ৯০ দিনের ভিউ বিবেচনা করা হবে। কত ভিউ প্রয়োজন হবে, সেটি ইউটিউবের শর্টস মনিটাইজেশন নীতিমালায় নির্ধারিত থাকবে।

বিজ্ঞাপনদাতাদের সঙ্গে তথ্য শেয়ার করে বাড়তে পারে আয়ের সুযোগ
নতুন শর্তে ক্রিয়েটরদের জন্য একটি ঐচ্ছিক সুবিধাও রাখা হয়েছে। চাইলে তারা নিজেদের চ্যানেলের কার্যক্রম, দর্শকদের সম্পৃক্ততা এবং পারফরম্যান্সের তথ্য বিজ্ঞাপনদাতা ও ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে শেয়ার করার অনুমতি দিতে পারবেন।
এর উদ্দেশ্য হলো বিজ্ঞাপনদাতা বা ব্র্যান্ডের কাছ থেকে অতিরিক্ত কাজ ও আয়ের সুযোগ তৈরি করা। তবে এটি বাধ্যতামূলক নয় এবং ইউটিউব নির্দিষ্ট অতিরিক্ত আয়ের নিশ্চয়তা দেয়নি।

নতুন নিয়মে ইউটিউব ক্রিয়েটরদের আয় বাড়বে নাকি কমবে?
এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর এখনই দেওয়া কঠিন। নতুন শর্তে ক্রিয়েটরদের আয় কমিয়ে দেওয়ার কোনো সরাসরি ঘোষণা নেই। বরং প্রিমিয়াম লাইট, ইউটিউব মিউজিক এবং বিভিন্ন ধরনের কনটেন্টের আয়ের হিসাব আরও স্পষ্ট করা হয়েছে।

তবে আয় সবার জন্য একইভাবে বাড়বে না। একজন ক্রিয়েটর কত আয় করবেন, তা নির্ভর করবে তার ভিডিওর ভিউ, দর্শক কোথা থেকে আসছেন, কতক্ষণ ভিডিও দেখছেন, প্রিমিয়াম ব্যবহারকারীদের অংশগ্রহণ এবং শর্টসে অন্যের কনটেন্ট বা সংগীত ব্যবহার করা হয়েছে কি না, এসব বিষয়ের ওপর।

ইউটিউব ক্রিয়েটরদের এখন কী করতে হবে?
ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামে থাকা ক্রিয়েটরদের নতুন শর্তগুলো ভালোভাবে পড়ে দেখা উচিত। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তারিখ হলো ৩১ জানুয়ারি ২০২৭। এই সময়ের মধ্যে নতুন শর্ত গ্রহণ করতে হবে।

তবে ইউটিউবের নতুন মনিটাইজেশন নিয়মে মূল পরিবর্তন হলো বিভিন্ন ধরনের ভিডিও ও সাবস্ক্রিপশন সেবা থেকে আয় কীভাবে ভাগ হবে, সেটি আরও পরিষ্কার করা। বিশেষ করে শর্টস নির্মাতাদের জন্য অন্যের কনটেন্ট ও সংগীত ব্যবহারের নিয়মটি নজরে রাখা জরুরি। যদিও নতুন নিয়মে সরাসরি আয় কমানোর ঘোষণা নেই। বরং কিছু ক্ষেত্রে নতুন আয়ের পথ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কার আয় কতটা বাড়বে বা কমবে, সেটি নির্ভর করবে কনটেন্টের ধরন ও দর্শকদের আচরণের ওপর।