ঢাকা ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

নোয়াখালীতে পূর্নিমাপেক্স বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

নোয়াখালীতে পূর্নিমাপেক্স বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত। শনিবার সকালে এপেক্স বাংলাদেশের ৮৮তম ক্লাব এপেক্স ক্লাব অব বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের উদ্যোগে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ ও সোনামুড়িতে মোট আটটি ভেন্যুতে এ বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলার উল্লেখিত দুই উপজেলার শতাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থী এবারের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

এপেক্স বাংলাদেশের সাবেক সেবা পরিচালক ও বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ডাঃ শরিফুল ইসলামের সার্বিক সহযোগিতা ক্লাব সভাপতি মোঃ শফি উদ্দিনের নির্দেশনায় ক্লাবের অন্যান্য সদস্যদের সহযোগিতায় উক্ত পরীক্ষায় সকাল দশটা থেকে শুরু হয়ে শেষ হয় দুপুর বারোটায়।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা ক্লাবের ফাউন্ডার সেক্রেটারি এপেক্সিয়ান মহসিন সাংবাদিকদের জানান পূর্ণিমাপেক্স বৃত্তি পরীক্ষা মুলত গ্রামীণ পর্যায়ের শিক্ষা বিপ্লবের সহোযোগিতার জন্য চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মেধার মূল্যায়ন করে তাদেরকে বৃত্তি প্রদান করে আগামী দিনে তাদের মেধাকে দেশ ও জাতির কল্যাণে ব্যয় করার জন্য মূলত এই উদ্যোগ।

ক্লাবের সাবেক সভাপতি এপেক্সিয়ান ইয়াসিন সুমন জানান ক্লাবের অন্যান্য কার্যক্রমের ন্যায় শিক্ষাবিপ্লবে প্রতিবছরই এমন বৃত্তি পরীক্ষা নেয়া হবে।

গনিপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এপেক্সিয়ান নিজাম উদ্দিন বলেন শিক্ষা উন্নয়নে সমাজের সকল স্তরেই কমবেশি কাজ করতে হবে। শুধুই যে শহরের ছাত্রছাত্রীরা মেধাবী তা নয় গ্রামে ও যে মেধাবী আছে, আর যারা তাদের মেধা বিকাশে সুযোগ পায়না তাদেরকে সেই সুযোগ করে দেই হলো আজকের পূর্নিমাপেক্স বৃত্তি।

পরীক্ষা অংশগ্রহণ করতে আসা অভিভাবকরা বলেন শিক্ষাকে আরো ত্বরান্বিত করবে এ বৃত্তি, প্রতিবছরই এমন উদ্যোগ নিতে তারা আহবান জানান।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

নোয়াখালীতে পূর্নিমাপেক্স বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৬:৪৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

নোয়াখালীতে পূর্নিমাপেক্স বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত। শনিবার সকালে এপেক্স বাংলাদেশের ৮৮তম ক্লাব এপেক্স ক্লাব অব বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের উদ্যোগে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ ও সোনামুড়িতে মোট আটটি ভেন্যুতে এ বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলার উল্লেখিত দুই উপজেলার শতাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থী এবারের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

এপেক্স বাংলাদেশের সাবেক সেবা পরিচালক ও বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ক্লাবের সাবেক সভাপতি ডাঃ শরিফুল ইসলামের সার্বিক সহযোগিতা ক্লাব সভাপতি মোঃ শফি উদ্দিনের নির্দেশনায় ক্লাবের অন্যান্য সদস্যদের সহযোগিতায় উক্ত পরীক্ষায় সকাল দশটা থেকে শুরু হয়ে শেষ হয় দুপুর বারোটায়।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা ক্লাবের ফাউন্ডার সেক্রেটারি এপেক্সিয়ান মহসিন সাংবাদিকদের জানান পূর্ণিমাপেক্স বৃত্তি পরীক্ষা মুলত গ্রামীণ পর্যায়ের শিক্ষা বিপ্লবের সহোযোগিতার জন্য চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মেধার মূল্যায়ন করে তাদেরকে বৃত্তি প্রদান করে আগামী দিনে তাদের মেধাকে দেশ ও জাতির কল্যাণে ব্যয় করার জন্য মূলত এই উদ্যোগ।

ক্লাবের সাবেক সভাপতি এপেক্সিয়ান ইয়াসিন সুমন জানান ক্লাবের অন্যান্য কার্যক্রমের ন্যায় শিক্ষাবিপ্লবে প্রতিবছরই এমন বৃত্তি পরীক্ষা নেয়া হবে।

গনিপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এপেক্সিয়ান নিজাম উদ্দিন বলেন শিক্ষা উন্নয়নে সমাজের সকল স্তরেই কমবেশি কাজ করতে হবে। শুধুই যে শহরের ছাত্রছাত্রীরা মেধাবী তা নয় গ্রামে ও যে মেধাবী আছে, আর যারা তাদের মেধা বিকাশে সুযোগ পায়না তাদেরকে সেই সুযোগ করে দেই হলো আজকের পূর্নিমাপেক্স বৃত্তি।

পরীক্ষা অংশগ্রহণ করতে আসা অভিভাবকরা বলেন শিক্ষাকে আরো ত্বরান্বিত করবে এ বৃত্তি, প্রতিবছরই এমন উদ্যোগ নিতে তারা আহবান জানান।