ঢাকা ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২

সেনার অভিযানে মোহাম্মদপুরের ছিনতাইকারী চক্র গ্রেপ্তার

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আলোচিত ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূলহোতা শাওন (১৯) ও তার তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী। ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল ৬ সেপ্টেম্বর, বসিলা এলাকায় এক যুবকের ব্যাগ, ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের মাধ্যমে। ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে তা কেন্দ্র করে অভিযান চালানো হয়।

শনিবার (৮ নভেম্বর) রাতে বসিলার ফিউচার সিটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় শাওনসহ মোহিম আহমেদ (২৪), জুয়েল (২৫) এবং আশিক (২৪)।

বসিলা আর্মি ক্যাম্পের সূত্রে জানা যায়, ভাইরাল ভিডিও ও সিসি ক্যামেরার ফুটেজের মাধ্যমে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। ভিডিও প্রকাশের পর অভিযুক্তরা এলাকা ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। শনিবার ঢাকায় ফেরার সময় সেনা সদস্যরা তাদের ধরেন।

জিজ্ঞাসাবাদে শাওন স্বীকার করেছেন, ভাইরাল ভিডিওতে তিনিই মূল ছিনতাইকারী ছিলেন। তিনি ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র সামুরাই সেনা টহল দলের হাতে হস্তান্তর করেছেন। গ্রেপ্তার চারজনকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, “মোহাম্মদপুরে যারা অপরাধ করে তারা আইনের আওতায় আসবেই। ইতিপূর্বে এলাকার বেশিরভাগ ছিনতাই ও সন্ত্রাসী চক্র গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতকদেরও শিগগির আইনের মুখোমুখি হতে হবে।”

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

এস এ গ্রুপের মালিক শাহাবুদ্দিনের মা, স্ত্রী, ভাই ও সন্তানদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

সেনার অভিযানে মোহাম্মদপুরের ছিনতাইকারী চক্র গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১২:৪৩:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আলোচিত ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূলহোতা শাওন (১৯) ও তার তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী। ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল ৬ সেপ্টেম্বর, বসিলা এলাকায় এক যুবকের ব্যাগ, ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের মাধ্যমে। ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে তা কেন্দ্র করে অভিযান চালানো হয়।

শনিবার (৮ নভেম্বর) রাতে বসিলার ফিউচার সিটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় শাওনসহ মোহিম আহমেদ (২৪), জুয়েল (২৫) এবং আশিক (২৪)।

বসিলা আর্মি ক্যাম্পের সূত্রে জানা যায়, ভাইরাল ভিডিও ও সিসি ক্যামেরার ফুটেজের মাধ্যমে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। ভিডিও প্রকাশের পর অভিযুক্তরা এলাকা ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। শনিবার ঢাকায় ফেরার সময় সেনা সদস্যরা তাদের ধরেন।

জিজ্ঞাসাবাদে শাওন স্বীকার করেছেন, ভাইরাল ভিডিওতে তিনিই মূল ছিনতাইকারী ছিলেন। তিনি ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র সামুরাই সেনা টহল দলের হাতে হস্তান্তর করেছেন। গ্রেপ্তার চারজনকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, “মোহাম্মদপুরে যারা অপরাধ করে তারা আইনের আওতায় আসবেই। ইতিপূর্বে এলাকার বেশিরভাগ ছিনতাই ও সন্ত্রাসী চক্র গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতকদেরও শিগগির আইনের মুখোমুখি হতে হবে।”