ঢাকা ১০:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

১৯ দেশের অভিবাসন কার্যক্রম স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে ১৯টি দেশের সকল ধরনের অভিবাসন কার্যক্রম স্থগিত করেছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন। এর ফলে এসব দেশের নাগরিকরা আর গ্রিন কার্ড বা মার্কিন নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

এই নির্দেশনা মূলত সেই দেশগুলোর ওপরই জারি হলো, যেগুলো আগে থেকেই আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল। এতে অভিবাসন নীতিতে আরও কড়াকড়ি যোগ হলো যা ট্রাম্পের রাজনৈতিক অঙ্গীকারের অন্যতম অংশ।

বুধবার প্রকাশিত স্মারকে যেসব ১৯টি দেশকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান ও ইয়েমেন। এসব দেশ জুন মাসে সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ে, যার মধ্যে প্রায় সম্পূর্ণ ভ্রমণ নিষেধও ছিল।

বাকি দেশগুলো হলো বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান এবং ভেনেজুয়েলা, যারা জুনে আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসে।

নতুন নীতিতে এসব দেশের অভিবাসনসংক্রান্ত সব আবেদন স্থগিতের পাশাপাশি প্রত্যেক আবেদনকারীর ব্যাপারে বিস্তৃত পুনঃপর্যালোচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে সাক্ষাৎকার বা পুনঃসাক্ষাৎকার নিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি যাচাই করা হবে।

স্মারকে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু অভিবাসীর দ্বারা সংঘটিত অপরাধও এই সিদ্ধান্তের পেছনে ভূমিকা রেখেছে। গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের দুই সদস্যের ওপর গুলি চালান এক আফগান শরণার্থী। এর পরপরই ট্রাম্প তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো থেকে শরণার্থী গ্রহণ বন্ধের ঘোষণা দেন।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে ট্রাম্প সোমালীয় শরণার্থীদের বিষয়ে কঠোর ভাষায় মন্তব্য করেন এবং তাদের ‘আবর্জনা’ বলেও অভিহিত করেন। এমনকি তিনি ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসওমেন ইলহান ওমরকেও একইভাবে আক্রমণ করেন, যদিও ইলহান যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক; তবে তার পরিবারিক শেকড় সোমালিয়ায়।

ট্যাগস :

স্ত্রীর যৌতুকের মামলায় আনোয়ারার বেলাল কারাগারে

১৯ দেশের অভিবাসন কার্যক্রম স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০১:৫৩:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে ১৯টি দেশের সকল ধরনের অভিবাসন কার্যক্রম স্থগিত করেছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন। এর ফলে এসব দেশের নাগরিকরা আর গ্রিন কার্ড বা মার্কিন নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

এই নির্দেশনা মূলত সেই দেশগুলোর ওপরই জারি হলো, যেগুলো আগে থেকেই আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল। এতে অভিবাসন নীতিতে আরও কড়াকড়ি যোগ হলো যা ট্রাম্পের রাজনৈতিক অঙ্গীকারের অন্যতম অংশ।

বুধবার প্রকাশিত স্মারকে যেসব ১৯টি দেশকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান ও ইয়েমেন। এসব দেশ জুন মাসে সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ে, যার মধ্যে প্রায় সম্পূর্ণ ভ্রমণ নিষেধও ছিল।

বাকি দেশগুলো হলো বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান এবং ভেনেজুয়েলা, যারা জুনে আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসে।

নতুন নীতিতে এসব দেশের অভিবাসনসংক্রান্ত সব আবেদন স্থগিতের পাশাপাশি প্রত্যেক আবেদনকারীর ব্যাপারে বিস্তৃত পুনঃপর্যালোচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে সাক্ষাৎকার বা পুনঃসাক্ষাৎকার নিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি যাচাই করা হবে।

স্মারকে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু অভিবাসীর দ্বারা সংঘটিত অপরাধও এই সিদ্ধান্তের পেছনে ভূমিকা রেখেছে। গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের দুই সদস্যের ওপর গুলি চালান এক আফগান শরণার্থী। এর পরপরই ট্রাম্প তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো থেকে শরণার্থী গ্রহণ বন্ধের ঘোষণা দেন।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে ট্রাম্প সোমালীয় শরণার্থীদের বিষয়ে কঠোর ভাষায় মন্তব্য করেন এবং তাদের ‘আবর্জনা’ বলেও অভিহিত করেন। এমনকি তিনি ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসওমেন ইলহান ওমরকেও একইভাবে আক্রমণ করেন, যদিও ইলহান যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক; তবে তার পরিবারিক শেকড় সোমালিয়ায়।