ঢাকা ০৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

সোমবার উদ্বোধন হচ্ছে দেশি-বিদেশি ফুলে সাজানো ডিসি পার্ক

ফুলের রঙ, সৌরভ আর নীরব ভাষার আবেদন সব মানুষের হৃদয়ের খুব কাছে। প্রেমের স্বীকারোক্তি থেকে শুরু করে বন্ধুত্বের শুভেচ্ছা সব অনুভূতিতেই ফুল এক অনন্য অনুষঙ্গ। সেই মুগ্ধতা ছড়িয়ে দিতে চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট এলাকায় এবারও বর্ণিল সাজে সেজে উঠছে দৃষ্টিনন্দন ‘ডিসি পার্ক’। শীতের আমেজ আর বসন্তের আগমনি বার্তার মিশেলে এখানে আয়োজন করা হয়েছে ২০২৬ সালের বিশাল পুষ্প প্রদর্শনী ও ফুল উৎসব, যা আগামী ৯ জানুয়ারি (সোমবার) আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে।

সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফখরুল ইসলাম জানান, এবারের উৎসবকে ঘিরে পার্কে প্রায় ১৪০ প্রজাতির ফুলের সমারোহ ঘটানো হয়েছে। এর মধ্যে বিদেশ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে প্রায় ১৬ থেকে ১৭ প্রজাতির দুর্লভ ফুল গাছ। গত বছরের তুলনায় এবারের আয়োজনকে আরও সমৃদ্ধ করা হয়েছে। বিশেষ করে আগে যেখানে পার্কের একপাশে সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ ছিল, এবার পুকুরের দুই পাশজুড়েই ফুলের কারুকাজ করা হয়েছে যেন দর্শনার্থীরা পুরো এলাকা ঘুরে আনন্দ পান।

উৎসবকে প্রাণবন্ত রাখতে পুরো মাসজুড়ে থাকছে নানা আয়োজন। ফুলের সৌন্দর্যের পাশাপাশি এখানে থাকবে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ মেলা, পিঠা উৎসব, জিপ লাইন এবং চিত্র প্রদর্শনী। এছাড়া দর্শনার্থীদের বিনোদনের জন্য প্রতিদিন থাকবে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ৯ জানুয়ারি উদ্বোধনের পর পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে এই উৎসবের আমেজ বজায় থাকবে বলে আশা করছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

সোমবার উদ্বোধন হচ্ছে দেশি-বিদেশি ফুলে সাজানো ডিসি পার্ক

আপডেট সময় : ০৫:৩৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

ফুলের রঙ, সৌরভ আর নীরব ভাষার আবেদন সব মানুষের হৃদয়ের খুব কাছে। প্রেমের স্বীকারোক্তি থেকে শুরু করে বন্ধুত্বের শুভেচ্ছা সব অনুভূতিতেই ফুল এক অনন্য অনুষঙ্গ। সেই মুগ্ধতা ছড়িয়ে দিতে চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট এলাকায় এবারও বর্ণিল সাজে সেজে উঠছে দৃষ্টিনন্দন ‘ডিসি পার্ক’। শীতের আমেজ আর বসন্তের আগমনি বার্তার মিশেলে এখানে আয়োজন করা হয়েছে ২০২৬ সালের বিশাল পুষ্প প্রদর্শনী ও ফুল উৎসব, যা আগামী ৯ জানুয়ারি (সোমবার) আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে।

সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফখরুল ইসলাম জানান, এবারের উৎসবকে ঘিরে পার্কে প্রায় ১৪০ প্রজাতির ফুলের সমারোহ ঘটানো হয়েছে। এর মধ্যে বিদেশ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে প্রায় ১৬ থেকে ১৭ প্রজাতির দুর্লভ ফুল গাছ। গত বছরের তুলনায় এবারের আয়োজনকে আরও সমৃদ্ধ করা হয়েছে। বিশেষ করে আগে যেখানে পার্কের একপাশে সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ ছিল, এবার পুকুরের দুই পাশজুড়েই ফুলের কারুকাজ করা হয়েছে যেন দর্শনার্থীরা পুরো এলাকা ঘুরে আনন্দ পান।

উৎসবকে প্রাণবন্ত রাখতে পুরো মাসজুড়ে থাকছে নানা আয়োজন। ফুলের সৌন্দর্যের পাশাপাশি এখানে থাকবে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ মেলা, পিঠা উৎসব, জিপ লাইন এবং চিত্র প্রদর্শনী। এছাড়া দর্শনার্থীদের বিনোদনের জন্য প্রতিদিন থাকবে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ৯ জানুয়ারি উদ্বোধনের পর পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে এই উৎসবের আমেজ বজায় থাকবে বলে আশা করছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।