ঢাকা ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমাল সরকার

এলপি গ্যাস আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদনে ভ্যাট ও ট্যাক্স পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আমদানি করা এলপিজির ওপর ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার এবং স্থানীয় পর্যায়ে তা ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এর আগে এলপি গ্যাস ক্রমবর্ধমান সংকট ও মূল্য অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট ও ট্যাক্স পুনর্নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। একই সঙ্গে এলপি গ্যাস আমদানির ক্ষেত্রে ব্যাংক ঋণ ও এলসি (ঋণপত্র) খোলার প্রক্রিয়া সহজীকরণেরও উদ্যোগও নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় এলপি গ্যাসকে ‘গ্রিনফুয়েল’ হিসেবে বিবেচনা করে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়। একই দিনে, বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহে এলপিজি আমদানির জন্য ঋণ প্রাপ্তি ও এলসি খোলার আবেদনসমূহ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে চিঠি দেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

এনবিআরকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, দেশে ব্যবহৃত মোট এলপি গ্যাসের প্রায় ৯৮ শতাংশই বেসরকারি খাতের মাধ্যমে আমদানি করা হয়, যা শিল্প খাত ও গৃহস্থালি— উভয় ক্ষেত্রেই ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সাধারণত, শীত মৌসুমে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি দেশে পাইপলাইনের প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় এলপি গ্যাসের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। চলতি শীত মৌসুমেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। ফলে বাজারে তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়েছে এবং এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ ভোক্তার ওপর।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

এলপি গ্যাস আমদানিতে ভ্যাট কমাল সরকার

আপডেট সময় : ০২:০২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

এলপি গ্যাস আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদনে ভ্যাট ও ট্যাক্স পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আমদানি করা এলপিজির ওপর ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার এবং স্থানীয় পর্যায়ে তা ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এর আগে এলপি গ্যাস ক্রমবর্ধমান সংকট ও মূল্য অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট ও ট্যাক্স পুনর্নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। একই সঙ্গে এলপি গ্যাস আমদানির ক্ষেত্রে ব্যাংক ঋণ ও এলসি (ঋণপত্র) খোলার প্রক্রিয়া সহজীকরণেরও উদ্যোগও নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় এলপি গ্যাসকে ‘গ্রিনফুয়েল’ হিসেবে বিবেচনা করে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়। একই দিনে, বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহে এলপিজি আমদানির জন্য ঋণ প্রাপ্তি ও এলসি খোলার আবেদনসমূহ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে চিঠি দেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

এনবিআরকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, দেশে ব্যবহৃত মোট এলপি গ্যাসের প্রায় ৯৮ শতাংশই বেসরকারি খাতের মাধ্যমে আমদানি করা হয়, যা শিল্প খাত ও গৃহস্থালি— উভয় ক্ষেত্রেই ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সাধারণত, শীত মৌসুমে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি দেশে পাইপলাইনের প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় এলপি গ্যাসের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। চলতি শীত মৌসুমেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। ফলে বাজারে তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়েছে এবং এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ ভোক্তার ওপর।