ঢাকা ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

কেরানীগঞ্জে জাবালে নূর টাওয়ারে ভয়াবহ আগুন, ২০ ইউনিটের লড়াইয়ে ৪৫ জন উদ্ধার

কেরানীগঞ্জের বাবুবাজার এলাকায় জাবালে নূর টাওয়ারে লাগা আগুন ৭ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট কাজ করছে। এ ঘটনায় ভবনে আটকে পড়া ৪৫ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান শিকদার এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, জাবালে নূর টাওয়ারটি বাণিজ্যিক ও আবাসিক ব্যবহারের জন্য নির্মিত। ভবনের প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় গার্মেন্টস পণ্যের দোকান ও ছোট ঝুট গোডাউন রয়েছে, উপরের তলাগুলো আবাসিক কোয়ার্টার। একাধিক ভবন থাকলেও বেজমেন্ট একটি হওয়ায় প্রবেশপথ সীমিত।

আগুন নিয়ন্ত্রণে বেশিরভাগ দোকানের শাটার ও কলাপসিবল গেট কেটে ভেতরে প্রবেশ করতে হচ্ছে। পাশাপাশি প্রচুর ধোঁয়ার কারণে ৩টি ব্রিদিং টেন্ডার ও ১টি হ্যাজম্যাট টেন্ডারসহ মোট ২০টি ইউনিট কাজ করছে বলে জানান তিনি।

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন ও মেনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, নিচতলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হওয়ায় দোতলা ও তিনতলা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এতে আগুন নেভানোর কাজে সময় লাগছে। তবে আগুন যাতে আশপাশের ভবনে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য চারদিক থেকে অ্যাটাক করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কেমিক্যালের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। যে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, তা ব্যাকড্রাফটের কারণে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পরই এর সূত্রপাত সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে।

উল্লেখ্য, শনিবার ভোর ৫টা ৩৭ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে ৫টা ৪৫ মিনিটে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

আনোয়ারায় দূর্ঘটনার প্রতিবাদে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ৩ দফা দাবিতে মানবন্ধন

কেরানীগঞ্জে জাবালে নূর টাওয়ারে ভয়াবহ আগুন, ২০ ইউনিটের লড়াইয়ে ৪৫ জন উদ্ধার

আপডেট সময় : ০২:৩৮:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

কেরানীগঞ্জের বাবুবাজার এলাকায় জাবালে নূর টাওয়ারে লাগা আগুন ৭ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট কাজ করছে। এ ঘটনায় ভবনে আটকে পড়া ৪৫ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান শিকদার এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, জাবালে নূর টাওয়ারটি বাণিজ্যিক ও আবাসিক ব্যবহারের জন্য নির্মিত। ভবনের প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় গার্মেন্টস পণ্যের দোকান ও ছোট ঝুট গোডাউন রয়েছে, উপরের তলাগুলো আবাসিক কোয়ার্টার। একাধিক ভবন থাকলেও বেজমেন্ট একটি হওয়ায় প্রবেশপথ সীমিত।

আগুন নিয়ন্ত্রণে বেশিরভাগ দোকানের শাটার ও কলাপসিবল গেট কেটে ভেতরে প্রবেশ করতে হচ্ছে। পাশাপাশি প্রচুর ধোঁয়ার কারণে ৩টি ব্রিদিং টেন্ডার ও ১টি হ্যাজম্যাট টেন্ডারসহ মোট ২০টি ইউনিট কাজ করছে বলে জানান তিনি।

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন ও মেনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, নিচতলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হওয়ায় দোতলা ও তিনতলা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এতে আগুন নেভানোর কাজে সময় লাগছে। তবে আগুন যাতে আশপাশের ভবনে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য চারদিক থেকে অ্যাটাক করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কেমিক্যালের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। যে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, তা ব্যাকড্রাফটের কারণে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পরই এর সূত্রপাত সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে।

উল্লেখ্য, শনিবার ভোর ৫টা ৩৭ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে ৫টা ৪৫ মিনিটে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে।