ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন বাংলাদেশের ক্ষণজন্মা নেতৃত্ব: মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম

চট্টগ্রাম মহানগরী আমির ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন বাংলাদেশের একজন ক্ষণজন্মা ও সাহসী নেতৃত্ব। মাত্র ৩২ বছর বয়সেই তার আগুনঝরা বক্তব্য দেশের সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বন্দোবস্তে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

বুধবার (সকাল ১০টা) দেওয়ানবাজারস্থ চট্টগ্রাম মহানগরী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মজলিসে শূরার অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, চব্বিশের জুলাই শহিদদের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা, ফ্যাসিস্ট সংগঠনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং আধিপত্যবাদবিরোধী সক্রিয় রাজনীতির প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন শহীদ হাদি।

মহানগরী আমির আরও বলেন, জুলাই সনদকে আইনি মর্যাদা দিতে গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণার পরপরই প্রকাশ্য দিবালোকে একজন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীর নৃশংস হত্যাকাণ্ড দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে গভীরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও চিহ্নিত খুনিচক্র গ্রেফতার না হওয়া, খুনির ব্যাংক একাউন্টে অস্বাভাবিক লেনদেন এবং ধারাবাহিক গুপ্তহত্যা দেশের গোয়েন্দা ব্যবস্থার দুর্বলতাই প্রকাশ করছে।

তিনি জানান, শহীদ হাদির হত্যাকারীদের বিচার, দেশব্যাপী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আগামী ৩ জানুয়ারি শনিবার মানিক মিয়া এভিনিউতে মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে। এ মহাসমাবেশ সফল করতে চট্টগ্রামবাসীসহ দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, শহীদ শরিফ ওসমান হাদির খুনিচক্রসহ চোরাগুপ্তা হামলাকারীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় দেশে স্বস্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে না। জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়াতে হবে।

অধিবেশনে আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগরীর মজলিসে শূরার সদস্য প্রফেসর ড. আবু বকর রফিক আহমদ, সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ ও ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সিদ্দিকুর রহমান ও এস এম লুৎফর রহমান, কর্মপরিষদ সদস্য প্রফেসর মুহাম্মদ নুরুন্নবী, ড. আ ম ম মাসরুর হোসাইন, ড. আব্দুল মোতালেবসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মহানগরী ও মহিলা জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন বাংলাদেশের ক্ষণজন্মা নেতৃত্ব: মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম

আপডেট সময় : ০৩:৪৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম মহানগরী আমির ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন বাংলাদেশের একজন ক্ষণজন্মা ও সাহসী নেতৃত্ব। মাত্র ৩২ বছর বয়সেই তার আগুনঝরা বক্তব্য দেশের সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বন্দোবস্তে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

বুধবার (সকাল ১০টা) দেওয়ানবাজারস্থ চট্টগ্রাম মহানগরী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মজলিসে শূরার অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, চব্বিশের জুলাই শহিদদের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা, ফ্যাসিস্ট সংগঠনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং আধিপত্যবাদবিরোধী সক্রিয় রাজনীতির প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন শহীদ হাদি।

মহানগরী আমির আরও বলেন, জুলাই সনদকে আইনি মর্যাদা দিতে গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণার পরপরই প্রকাশ্য দিবালোকে একজন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীর নৃশংস হত্যাকাণ্ড দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে গভীরভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও চিহ্নিত খুনিচক্র গ্রেফতার না হওয়া, খুনির ব্যাংক একাউন্টে অস্বাভাবিক লেনদেন এবং ধারাবাহিক গুপ্তহত্যা দেশের গোয়েন্দা ব্যবস্থার দুর্বলতাই প্রকাশ করছে।

তিনি জানান, শহীদ হাদির হত্যাকারীদের বিচার, দেশব্যাপী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আগামী ৩ জানুয়ারি শনিবার মানিক মিয়া এভিনিউতে মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে। এ মহাসমাবেশ সফল করতে চট্টগ্রামবাসীসহ দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, শহীদ শরিফ ওসমান হাদির খুনিচক্রসহ চোরাগুপ্তা হামলাকারীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় দেশে স্বস্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে না। জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়াতে হবে।

অধিবেশনে আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগরীর মজলিসে শূরার সদস্য প্রফেসর ড. আবু বকর রফিক আহমদ, সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ ও ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সিদ্দিকুর রহমান ও এস এম লুৎফর রহমান, কর্মপরিষদ সদস্য প্রফেসর মুহাম্মদ নুরুন্নবী, ড. আ ম ম মাসরুর হোসাইন, ড. আব্দুল মোতালেবসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মহানগরী ও মহিলা জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।