
লাভরভের ভাষ্য অনুযায়ী, রাশিয়া নিজেরাই ঠিক করবে কোন জাহাজকে সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে—বিশেষ করে যেসব দেশের সরকার রাশিয়ার ভাষায় এই ধরনের ‘ডাকাতি ও জলদস্যুতা’কে রাষ্ট্রীয় নীতিতে পরিণত করেছে।
এর আগে পুতিনও সতর্ক করেছিলেন যে ইউরোপীয় দেশগুলো রুশ বাণিজ্যিক জাহাজ জব্দ করলে রাশিয়া পাল্টা ব্যবস্থা নিতে পারে ও সেই প্রতিক্রিয়া একই সমুদ্র এলাকায় সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে।
রাশিয়া মনে করছে, ইইউ রুশ তেল-জ্বালানি পরিবহনের ওপর চাপ বাড়াতে গিয়ে আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন লঙ্ঘন করছে। অন্যদিকে ইইউ রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর ও নিষেধাজ্ঞা এড়ানো ‘শ্যাডো ফ্লিট’ ঠেকানোর অংশ হিসেবে এসব পদক্ষেপ নিচ্ছে। ফলে বিষয়টি নিয়ে রাশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সামুদ্রিক সংঘাতের ঝুঁকি বাড়ছে।
প্রতিনিধির নাম 

























